free web tracker

শেয়ার করুন:

ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ বিরোধী দলের অনুপস্থিতিতেই সংসদের চতুর্দশ অধিবেশন গতকাল ৪ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার ৪ আগস্ট বিকাল সোয়া ৫টায় স্পিকার আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশ শুরু হয়। এদিকে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সংসদ কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পেয়েছে শেরে বাংলা হাই স্কুলের ৫০ শিক্ষার্থী। এতদিন ১২ বছরের কম বয়সীদের সংসদ গ্যালাররিতে প্রবেশের অনুমতি ছিল না। শিশু গ্যালারি উদ্বোধনকালে স্পিকার সংসদ সদস্যদের প্রতি বলেন, “আমাদের এমনভাবে কথা বলতে হবে যাতে শিশুদের ওপর কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া না হয়।” নের আহ্‌বান জানিয়ে শুরুতে স্পিকার সংসদ সদস্যদের স্বাগত ভাষণে বলেন, “এ অধিবেশন সংক্ষিপ্ত হলেও আশা করি আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণে সংসদ প্রাণবন্ত ও অর্থবহ হয়ে উঠবে। সরকারি ও বিরোধী দল আমার কাছে সমান। সুস্থ বিতর্কের মাধ্যমে সংসদকে প্রাণবন্ত রাখবেন।” অধিবেশনে যোগ দেওয়া সব সংসদ সদস্যদের জন্য ল্যাপটপ সরবরাহ করা হবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে নবম জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির ১৮তম বৈঠক স্পিকার আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। ১৪তম অধিবেশন আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন অধিবেশন বিকাল ৫টায় শুরু হবে। প্রয়োজনে এ সময়সীমা বাড়ানো ও কমানোর ব্যাপারে স্পিকারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কমিটির সদস্য এবং সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে ১৪তম অধিবেশনে সংসদে উত্থাপনের জন্য জমা পড়া বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিল, নোটিস ও প্রতিবেদন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

অন্যদের মধ্যে কমিটির সদস্য ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, চিফ হুইপ মো. আব্দুস শহীদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, তোফায়েল আহমেদ, মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, রাশেদ খান মেনন এবং আব্দুল মতিন খসরু বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বিরোধী দল ছাড়া সংসদ কতখানি প্রাণবন্ত হবে এমন প্রশ্ন করা হলে সরকার দলীয় এক সাংসদ বলেন, আমরা চেষ্টা করছি বিরোধী দলকে সংসদে আনার জন্য। ওই সাংসদ আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক ইস্যু নিয়েও বিরোধী দল সংসদে এসে আলোচনায় অংশ নিতে পারতো। কিন্তু তা না করে সংসদকে পাশ কাটিয়ে তারা আন্দোলনের নামে দেশের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। তিনি বিরোধী দলকে আহ্বান জানান সংসদের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য।


সতর্কবার্তা:

বিনা অনুমতিতে দি ঢাকা টাইমস্‌ - এর কন্টেন্ট ব্যবহার আইনগত অপরাধ, যে কোন ধরনের কপি-পেস্ট কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, এবং কপিরাইট আইনে বিচার যোগ্য!

September 5, 2012 তারিখে প্রকাশিত

আপনার মতামত জানান -

Loading Facebook Comments ...


9 জন মন্তব্য করেছেন

মন্তব্য লিখতে লগইন করুন
Close You have to login

Login With Facebook
Facility of Account