কমনওয়েলথের ‘পয়েন্ট অব লাইট’ পুরষ্কার পেয়েছেন বাংলাদেশি স্বেচ্ছাসেবী শারমিন সুলতানা

গত বৃহস্পতিবার ১৯ জুলাই কমনওয়েলথের প্রধান হিসেবে ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এই পুরষ্কারের ঘোষণা দেন।

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ৬১তম কমনওয়েলথ পয়েন্ট অব লাইট পুরষ্কার পেলেন বাংলাদেশী স্বেচ্ছাসেবী শারমিন সুলতানা। গত ১৯ জুলাই কমনওয়েলথের প্রধান হিসেবে ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এই পুরষ্কারের ঘোষণা দেন। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এই পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়।

কমনওয়েলথপ্রধান হিসেবে ব্রিটিশ রানির স্বাক্ষর করা একটি সনদ পাবেন শারমিন সুলতানা। বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার ‘অ্যালিসন ব্লেক’ তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার হস্তান্তর করবেন। শারমিন কক্সবাজারে কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গা নারী ও কন্যাশিশুদের অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ রোধ, নিরাপদ অবসান, অপরিহার্য প্রসুতি ও প্রসবোত্তর সেবা প্রদান এবং সচেতনতা সৃষ্টি করে থাকেন। কারণ বেশিরভাগ রহিঙ্গা নারীরা গর্ভধারণ এবং প্রসবোত্তর সেবার বিষয়ে অজ্ঞ। বিশেষ করে কন্যা শিশুদের মধ্যে অপ্রাপ্ত বয়সে গর্ভবতী হওয়ার হার বেশি। ফলে তারা নিজেদের স্বাস্থ বিষয়ে খুব সচেতন নয়।

শারমিন এখানে মুক্তি নামে একটি জনস্বাস্থ এবং সেবাদানকারী বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। এছাড়া রোহিঙ্গা নারী ও কন্যাশিশুদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার জন্য রোহিঙ্গা শিবিরে প্যারামেডিকস, ধাত্রী ও চিকিৎসকদেরও প্রশিক্ষণ দেন। পুরষ্কারের কথা শুনে শারমিন বলেন, “পুরষ্কার পাওয়ার খবর শুনে আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলাম।” তিনি আরো বলেন, “এই পুরষ্কার কেবল আমার একার নই রোহিঙ্গাদের সেবা দেওয়া আমাদের বেসরকারি সংস্থা মুক্তিরও। এই পুরষ্কার পেয়ে আমি গর্বিত।”

ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেক শারমিনকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “তার অসাধারণ কাজের জন্য তিনিই এই পুরষ্কারের যোগ্য ছিলেন।”

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...