ইরানের কোম নগরীর ঐতিহাসিক জামকারান মসজিদ

ইরানের ধর্মীয় নগরী কোম থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে জামকারান গ্রামের কাছে এই মসজিদটি অবস্থিত

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। শুক্রবার, ৩১ আগস্ট ২০১৮ খৃস্টাব্দ, ১৬ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৯ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

যে ছবিটি আপনারা দেখছেন সেটি ইরানের কোম নগরীতে অবস্থিত জামকারান মসজিদের ছবি। এটি দৃষ্টিনন্দন ও বিখ্যাত একটি মসজিদ। এটি একটি ঐতিহাসিক মসজিদ।

ইরানের কোমের বিখ্যাত মসজিদ হলো এই জামকারান মসজিদ। ধর্মীয় নগরী কোম থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে জামকারান গ্রামের কাছে এই মসজিদটি অবস্থিত। অতীতে এই মসজিদটি ‘কাদামগাহ’ মসজিদ নামে অধিক পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে জামকারান গ্রামের নিকটবর্তী হওয়ার কারণে ধীরে ধীরে এর নামকরণ করা হয় জামকারান মসজিদ।

জানা যায়, শিয়া মাজহাবের ১২তম ইমাম, ইমাম মাহদি (আ.)’র সঙ্গে সম্পর্কিত বলে এই মসজিদকে ‘সাহেবুজ্জামান মসজিদ’ও বলা হয়ে থাকে। কোনো কোনো ভবিষ্যদ্বাণীতে এও বলা হয়েছে, ইমাম মাহদি (আ.)’র আবির্ভাবের পর তাঁর শাসনকার্য পরিচালনার অন্যতম কেন্দ্র ছিলো এই মসজিদটি।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, ইরানের প্রখ্যাত সমাজসেবক সাইয়্যেদ মোহাম্মাদ আগাযাদেহ ১৯৫৫ সালে জামকারান মসজিদটি পুনর্নির্মাণ করেন। মসজিদ পুনর্নির্মাণের সময় এটির দক্ষিণের আঙিনায় ৬টি স্তম্ভের উপর ১৭ মিটার লম্বা ও ৪ মিটার চওড়া একটি হল নির্মাণ করেন। প্রকৃতপক্ষে এটিই ছিল মসজিদের প্রধান ফটক। সেই সময় মসজিদে একটি শিলালিপি সংযুক্ত ছিল। তাতে মসজিদটির পূবেৃর পুনর্নির্মাণের তারিখ উল্লেখিত ছিল। এর পূর্বে মসজিদটি ১৭৫৩ সালে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল। অর্থাৎ এই মসজিদটি তারও পূর্বে নির্মাণ করা হয়। বর্তমানেও এই শিলালিপিটি জামকারান মসজিদে সংরক্ষিত রয়েছে।

এই মসজিদের পূর্বপাশের আঙিনায়ও রয়েছে ১৩ মিটার লম্বা ও ৪ মিটার চওড়া একটি হল। এই হলটির সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সাত রঙের টাইল ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে আবার ১৯৫২ সালে মসজিদটির পুনর্নির্মাণকারী সাইয়্যেদ মোহাম্মাদ আগাযাদেহ’র নাম লিপিবদ্ধ। সব মিলিয়ে বলা যায় এটি একটি ঐতিহাসিক মসজিদ।

তথ্য: http://parstoday.com -এর সৌজন্যে।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...