The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

স্ত্রীর জন্মদিন ভুললেই ডিভোর্স এমন এক আজব দেশের গল্প!

আপনি কী স্ত্রী’র জন্মদিন প্রতিবছরই ভুলে যান?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সত্যিই কতো আজব আজব দেশ রয়েছে বিশ্বের মধ্যে। ওইসব দেশের আজব সব কাণ্ডের কথা শুনলে অবাক হতে হয়। এমন এক দেশের গল্প রয়েছে আজ, যে দেশে স্ত্রীর জন্মদিন ভুলে গেলেই ডিভোর্স!

স্ত্রীর জন্মদিন ভুললেই ডিভোর্স এমন এক আজব দেশের গল্প! 1

বিশ্বে বেশ কিছু দেশ আছে এমন আজব আজব ঘটনা বা আইন রয়েছে। এমনই এক আজব ঘটনা হলো স্ত্রীর জন্মদিন ভুললেই ডিভোর্স। আমরা সবাই জানি একজন স্বামী-স্ত্রী এক ছাদের তলায় সারা জীবন বসবাস করেন। তাই একসঙ্গে থাকতে না পারার সিদ্ধান্ত- পুরো দুনিয়ায় কোনোভাবেই যেনো সহজ কোনো বিষয় নয়। কেবল মনের কথাই নয়, সেখানে বরং এই বিয়ে এবং বিচ্ছেদ নিয়ে গোটা বিশ্বেই ছড়িয়ে রয়েছে নানা বিচিত্র সব নিয়ম বা আইনকানুন। এসব আইনকানুনের কথা শুনলে আমাদের সকলকে আশ্চর্য হতে হয়।

যেমন আমেরিকার ২৬টি প্রদেশে নিয়ম রয়েছে তুতো ভাইবোনদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে তারা বিয়েও করতে পারেন। তবে সে ক্ষেত্রে আবার সন্তানধারণ করা যাবে না! পরবর্তী প্রজন্মের জিনগত ত্রুটিরোধ এবং শারীরিক সমস্যা কমাতেই তুতো ভাইবোনের মধ্যে বিয়েতে সন্তানধারণের জন্য এমন বিধিনিষেধ রয়েছে ওইসব প্রদেশে।

যেমন মৃত মানুষকে স্বামী বা স্ত্রীর স্বীকৃতি দিয়ে বিয়ে করার নিয়ম জারি রয়েছে ফ্রান্সে। তবে সে ক্ষেত্রে দেশের প্রেসিডেন্টের অনুমতি নিতে হয়। শুধু তাই নয়, মৃত মানুষটি যে আপনাকে ভালবাসতেন এবং বিয়ে করতে চাইতেন বা তার সঙ্গে আপনার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল, তারও প্রমাণ দিতে হবে।

আবার দেখা যায় পার্টনার বোকা। শুধু এটাই যথেষ্ট বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কী যথেষ্ট? আমেরিকার মিসিসিপি প্রদেশের অধিবাসী হলে স্বামী বা স্ত্রীর চূড়ান্ত বোকামির নিদর্শন আদালতে প্রমাণ করতে পারলে বিবাহ বিচ্ছেদ মিলবে খুব সহজে।

এক বছর চলবে এমন পরিমাণে শুকনো বিন, শুকনো আপেল, মাংস এবং উলের জোগান তার স্ত্রীকে দিতে পারলে একজন স্বামী তাকে ছেড়ে যেতে পারেন। আমেরিকার টেনেসি প্রদেশে বিবাহবিচ্ছেদ পেতে গেলে এই ক’টা ব্যবস্থা পাকা করতে হবে আপনাকে।

এবার আসুন আসল বিষয়ে, স্ত্রী’র জন্মদিন প্রতিবছরই ভুলে যান? আপনি ওশেনিয়ার সামোয়া রাষ্ট্রের বাসিন্দা নন! তানাহলে স্ত্রীর জন্মদিন ভুললেই ডিভোর্স ফাইল করার অধিকার পেয়ে যেতেন আপনার স্ত্রী! তবে স্ত্রী যদি তার, স্বামীর জন্মদিন ভোলেন তবে এমন নিয়ম খাটবে না!

ফিলিপিন্সে বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গেই দেখা হয়ে থাকে। তাই বিবাহ বিচ্ছেদ পাওয়ার অনুমতি সেখানে নেই, বিশেষ কোনও ক্ষে‌ত্রে পৃথক বাসকে অনুমতি দিলেও সম্পূর্ণ বিচ্ছেদ একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয় দেশটিতে।

আপনি স্ত্রী’র সঙ্গে যেদিন খুশি ঝগড়া করুন। তবে রবিবার কোনও দাম্পত্যকলহ চলে না কলোরাডোয়। স্ত্রী যদি মনে করেন, রবিবারও তারসঙ্গে ঝগড়া করার জন্য স্বামীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করতে পারেন। এতে জেলও হতে পারে ওই স্বামীর!

Loading...