The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

স্প্যাম মেইলে সাড়া দিলে যা ঘটতে পারে

কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসব স্প্যাম মেইলে খুব প্রলুব্ধকর কপিক্যাট ওয়েবসাইটের লিংকও থাকে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা যে ই-মেইল সার্ভিসই ব্যবহার করি না কেনো, আমাদের ইনবক্সে কোনো না কোনোভাবে স্প্যাম মেইল আসতেই পারে। কখনও কখনও সেইসব মেইল আসলে অ্যালার্ম বেল জানিয়ে দেয়। স্প্যাম মেইলে সাড়া দিলে ঘটতে পারে অনেক কিছুই।

স্প্যাম মেইলে সাড়া দিলে যা ঘটতে পারে 1

অনেক সময় স্প্যামারদের অন্যান্য মেসেজ শনাক্ত করা কঠিন হতে পারে। যদি আপনি স্প্যাম মেইলে সাড়া দেন কিংবা ক্লিক করেন বা ব্যস্ত থাকেন, তাহলে কিছু সম্ভাব্য পরিণতির অভিজ্ঞতাও হতে পারে।

কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির সিটিল্যাব সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রাইভেসি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক জেসন হং বলেছেন, আপনি স্প্যাম মেইলে সাড়া দিলে কি ঘটবে তা সম্পূর্ণরূপেই নির্ভর করছে মূলত স্প্যাম মেইলের ধরনের ওপর। স্প্যাম মেইলে সাধারণ সাড়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিশ্চিত করে যে আপনার ই-মেইলটি আসলে সক্রিয়, যে কারণে আপনি ভবিষ্যতে কোনো ক্যাম্পেইন কিংবা স্ক্যামের টার্গেটও হতে পারেন। সাধারণত স্প্যামারদের নিকট হতে প্রত্যক্ষ কোনো সাড়া আসে না।

গো বেস্ট ভিপিএন ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা ও সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ জেমি ক্যামবেল বলেছেন, ‘কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসব স্প্যাম মেইলে খুব প্রলুব্ধকর কপিক্যাট ওয়েবসাইটের লিংকও থাকে।’ যদি আপনি কখনও লিংকটি অনুসরণ করেন, ওই ওয়েবসাইটের কোনোকিছু যদি পূরণ করেন, যেমন- ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড, ব্যক্তিগত তথ্য, ক্রেডিট কার্ড বিষয়ক তথ্য বা লেনদেনের তথ্য, তাহলে তা স্প্যামারদের নিকট চলে যাবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

অধ্যাপক জেসন হং বলেছেন, সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ জেমি ক্যামবেল বলেছেন, অপর একটি সম্ভাবনা হলো, স্প্যাম মেইলের কোনো লিংক বা অ্যাটাচমেন্ট আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস কিংবা স্পাইওয়ার ডাউনলোডও করতে পারেন। এসব ডাউনলোড সক্রিয়ভাবেই আপনার সকল লেখা রেকর্ড করতে পারে এবং তাতে করে আপনার তথ্য হ্যাকারের নিকট পৌঁছে যেতে পারে। যদি কখনও আপনি স্প্যাম সফটওয়্যার ডাউনলোড করেন, তাহলে স্প্যামাররা আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করা ছাড়াও আপনার মেইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও অনেকের মেইলেও স্প্যাম মেইল পাঠাতে সক্ষম হবে। ইন্টারনেটে আপনার ওয়েবসাইটও আক্রমণ করতে পারে।

তাই বলা হয়েছে যে, যদি সত্যিই আপনি এইসব স্প্যাম এড়িয়ে চলতে চান, তাহলে ফেইক ইনভয়েস বা ফেইক ইউপিএস কিংবা ফেডএক্স ডেলিভারি নোটিফিকেশনের ব্যাপারে আপনাকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। সেসব মেইলের ব্যাপারেও আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে যা আপনাকে কোনোকিছু ডাউনলোড বা ইনস্টল করতে উদ্বুদ্ধ করছে।যদি আপনাকে লগইন করতে বলে, কোনোকিছু পরিবর্তন করতে বলে এবং আপনি কোনোকিছু জিতেছেন বলে আপনাকে প্রলুব্ধ করার জন্য চেষ্টা করে।

অধ্যাপক জেসন হং বলেছেন, স্প্যামারদের সেসব শব্দগুচ্ছ ব্যবহারের প্রবণতা রয়েছে যা খুব সহজেই আপনাকে প্রতারিত করতে পারে। তারা বলতে পারে যে, আপনার কম্পিউটারে কোনো ভাইরাস রয়েছে, যেকারণে যতো দ্রুত সম্ভব আপনার ব্রাউজার আপডেট করতে হবে কিংবা আপনার অ্যাকাউন্ট খুব শীঘ্রই বন্ধ হয়ে যাবে। ডা. হং পরামর্শ দিয়েছেন যে, যেখানে সেখানে কখনও ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করবেন না, পাসওয়ার্ডের পুনর্ব্যবহারও করবেন না, আপনি অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপ ডাউনলোড করে নিন। হ্যাকড হওয়ার সম্ভাব্য লক্ষণগুলো সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করুন।

Loading...