The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ভারতের কোটি কোটি মুসলমান ও দলিতরা ভোট দিতে পারবে না!

পর্যবেক্ষক সংস্থা মিসিং ভোটারস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ভারতের নির্বাচন কমিশন দেশটির অনেক মুসলমান ও দলিত শ্রেণীর নাগরিককে ভোটার তালিকায় অর্ন্তভূক্ত করেনি। যে কারণে ভারতের কোটি কোটি মুসলমান ও দলিতরা ভোট দিতে পারবে না!

ভারতের কোটি কোটি মুসলমান ও দলিতরা ভোট দিতে পারবে না! 1

একটি নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সংস্থা বলেছে, তালিকায় নাম না ওঠার কারণে লোক সভা নির্বাচনে দেশটির কোটি কোটি মুসলিম ও দলিত শ্রেণীর সংখ্যালঘুরা ভোটাধিকার প্রয়োগই করতে পারবেন না। তবে কমিশন মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেছে যে, তারা নাগরিকদের তালিকাভুক্ত করতে প্রয়োজনীয় সকল রকম পদক্ষেপ নিয়েছে।

পার্লামেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে নেওয়া উদ্যোগের কারণে কোনও ভোটারই বাদ পড়বে না বলে প্রতিশ্রুতি দেয় ভারতের নির্বাচন কমিশন। এক প্রক্রিয়ায় নির্বাচনী কর্মকর্তারা গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়েছেন ও বাসিন্দাদের ভোটের প্রক্রিয়া বুঝিয়েও দিয়েছেন বলেও দাবি করেছে। তারা বলেছেন, এসব বাসিন্দাদের অনেকেই নিরক্ষর। তবে যমুনা নদীর তীরে একটি অস্থায়ী কুড়ে ঘরে স্ত্রী ও পাঁচ সন্তান নিয়ে বসবাসকারী মুজাবির জানিয়েছেন, তার বাড়িতে কেও আসেইনি। তিনি বলেন, কোনও দলের লোকেরাই এখানে আসে না। কেও আমাদের খোঁজও নেয় না।

২০১৪ সালে সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচনে ভোট দিয়েছিলেন দেশটির নাগরিক মুজাবির। ওই নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ক্ষমতায় আসে। তবে মুজাবিরের ধারণা হলো, এবার তার নাম ভোটার তালিকা হতে বাদ পড়েছে। নিজের মতো ক্ষুদ্র কৃষকরা ভারতের মূল রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি হতে কোনওভাবে লাভবান হতে পারবে, তেমন আশা নেই এই ক্ষুদ্র কৃষক মোহাম্মদ মুজাবিরের। রেজিস্ট্রেশন ও ভোটার পরিচয়পত্র থাকার পরও এখনও তিনি জানেন যে, ভোটার তালিকায় তার নাম রয়েছে কিনা। ওই তালিকাভূক্তি ছাড়া রবিবার ষষ্ঠ ধাপের নির্বাচনে দিল্লির অন্যদের সঙ্গেও ভোট দিতে পারবেন না তিনি।

পর্যবেক্ষক সংস্থা মিসিং ভোটারস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয় যে, প্রায় ১২ কোটি মানুষ ভোটার তালিকা হতে বাদ পড়েছে। এদের অনেকেই আবার সংখ্যালঘু মুসলমান বা নিম্নবর্গের দলিত সম্প্রদায়ভূক্ত।

ওই রিপোর্টের লেখকরা বলেন, ‘ধীর তবে স্থির প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের বঞ্চিত করা হয়েছে ও রাজনৈতিকভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে’। ভারতের নির্বাচন কমিশনের একজন মুখপাত্র সংবাদ মাধ্যম সিএনএনকে বলেন, তারা সচেতনতা প্রচারাভিযানের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নিজেদের তালিকাভুক্ত করতে যথেষ্টভাবে সময় দিয়ে নাগরিকদের প্রয়োজনীয় নোটিশও দিয়েছেন।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...