The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ভারতের হেলিকপ্টারটি নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই ধ্বংস হয়েছিল!

তখন ওই হামলার ঘটনায় ৬ জওয়ান ও এক বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছিলো

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চরম উত্তেজনা এবং সংঘাতের মধ্যে পাকিস্তানী যুদ্ধবিমান ভেবে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংস হয়েছিল ভারতীয় সেই এমআই-১৭ হেলিকপ্টারটি!

ভারতের হেলিকপ্টারটি নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই ধ্বংস হয়েছিল! 1

তখন ওই হামলার ঘটনায় ৬ জওয়ান ও এক বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছিলো। গত দুই মাস ধরে এই বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হতে আরও ২০ দিন সময় লাগবে। তবে ইতিমধ্যে গণমাধ্যমে ওই ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এই বিষয়ে শাস্তির মুখে পড়তে চলেছেন ভারতীয় বিমানবাহিনীর এয়ার অফিসার কম্যান্ডিং (এওসি)। তার বিরুদ্ধে বিমানবাহিনীর আইন অনুযায়ী অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলাও দায়ের করা হতে পারে।

জম্মু-কাশ্মিরের পুলওয়ামায় ওই ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বালাকোটে ঢুকে অভিযান চালিয়েছিলো ভারতীয় বিমানবাহিনী। পাল্টা জবাবে ২৭ ফেব্রিয়ারি নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর এফ-১৬ যুদ্ধবিমানসহ প্রায় একঝাঁক যুদ্ধবিমান।

ওই যুদ্ধবিমানের মোকাবিলা করতে গিয়ে আইএফএফ ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও ভুলবশত শত্রুপক্ষের বিমান ভেবে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই ধ্বংস হয়ে যায় ভারতীয় এমআই-১৭ সামরিক হেলিকপ্টার। ওই হেলিকপ্টারটি ছিলো রাশিয়ার তৈরি বিমানবাহিনীর, সেই ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি হলো ইসরাইলের তৈরি।

মূলত ইএফএফ ব্যবস্থা হলো, আকাশে উড়ে আসা যে কোনো বিমান বা হেলিকপ্টারকে সংকেত পাঠালে সেই বিমান বা হেলিকপ্টারটিও তার প্রতি উত্তরে একটি সংকেত পাঠায়। যার মধ্যদিয়ে বোঝা যায়, সেটি শত্রুপক্ষের বিমান নয়। তবে এক্ষেত্রে কেনো ওই হেলিকপ্টারটি সংকেত ফেরত পাঠায়নি বা তাদের সংকেত পাঠানোর যন্ত্রটি খারাপ হয়ে গিয়েছিল কিনা তা অবশ্য জানা যায়নি। এই বিষয়ে তদন্তকারী দলটি শ্রীনগর বিমানঘাঁটির ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে।

Loading...