The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

পৃথিবীর আকাশে কী ইউএফও ঘোরাফেরা করছে?

এবারও পালিত হয়েছে বিশ্ব ইউএফও দিবস। এই ইউএফও দিবসে উঠে এসেছে অনেক কথা

Alien UFO saucer

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ইউএফও অর্থাৎ Unidentified flying object পৃথিবীতে আসার দাবিকে আবারও জোরালো করতে প্রতিবছর ২ জুলাই বিশ্ব ইউএফও দিবসও পালন করা হয়ে থাকে। পৃথিবীর আকাশে কী ইউএফও ঘোরাফেরা করে?

পৃথিবীর আকাশে কী ইউএফও ঘোরাফেরা করছে? 1

এবারও পালিত হয়েছে বিশ্ব ইউএফও দিবস। এই ইউএফও দিবসে উঠে এসেছে অনেক কথা। ২০০১ সালে ইউএফও সন্ধানী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হ্যাকটেন একদোগান ছুটির দিন হিসেবে দিবসটি পালন শুরু করলে এই দিনটি বিশ্ব ইউএফও দিবস হিসেবে সারা বিশ্বে পালিত হয়ে থাকে। ভিনগ্রহে অ্যালিয়েন কী রয়েছে? অ্যালিয়েন বা ইউএফও নিয়ে মানুষের মনে কৌতুহলের যেনো শেষ নেই। রয়েছে নানা প্রশ্নও। ২০১৭ সালের অক্টোবরে প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিও বিষয়টি আরও সক্রিয় করেছে। ইয়েলোস্টোন ন্যাশনাল পার্কের সেই সিসিটিভি ফুটেজ দেখে রীতিমত নড়েচড়ে বসেন বিশেষজ্ঞরা।

ধারণা করা হয় যে, একটা ইউএফও ওই অঞ্চলে ঘোরাফেরা করেছে। ভিডিওটিতে দেখা যায় যে, একটি সুপার ভলকানোর উপর দিয়ে উড়ছে ধোঁয়া। তার মধ্যেই আকাশে ছুটে যাচ্ছে এক ফালি সাদা আলো। সেটি এই প্রান্ত হতে ও প্রান্তে চলে যাচ্ছে যেনো নিমেষের মধ্যেই। যা কোনোভাবেই বিমান বা ড্রোন নয়। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ সেই সময় দাবি করে যে, সেটি ছিলো গত ৯ জুনের ভিডিও। সেই সময় সেটি ইউটিউবে আপলোড করা হয়।

উল্লেখ্য যে, বহু বছর ধরে ভিনগ্রহ নিয়ে গবেষণা চলছে। একাধিকবার আকাশে উড়ে যাওয়া এই ধরনের দৃশ্য দেখে ভিনগ্রহের যান কিংবা ইউএফও বলে অনুমান করা হয়। তবে কোনো স্পষ্ট ধারনা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে গতবছর ১৩ নভেম্বর আয়ারল্যান্ডের আকাশে বিমান নিয়ে যাচ্ছিলেন এক পাইলট। তাদের কেও দেখেছেন গোটা আকাশে তীব্র আলোর জ্যোতি ছড়িয়ে দেয় এক ভয়ঙ্কর গতির ‘যান’, যা শব্দের চেয়েও বেশি গতি এবং সুপারসনিক বিমানের চেয়েও দ্রুত গতির ‘যান’।

তাদের ভাষায়, এমন ‘যান’ তারা পূর্বে কখনও দেখেননি। বিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে বলা হয়ে থাকে ‘আনআইডেন্টিফায়েড ফ্লাইং অবজেক্ট’ (ইউএফও)। বিভিন্ন মাধ্যমের খবরে বলা হয়, অন্তত ৪ জন পাইলট ওই অঞ্চল দিয়ে বিমান ওড়ার সময় সেই অদ্ভুত বস্তুটি দেখেছেন। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই সরকার হতে বিষয়টি নিয়ে খোঁজ-খবরও শুরু হয়। এই ঘটনার সঠিক তথ্য উদঘাটনে সরকারের সঙ্গে বসে নেই বিজ্ঞানীরাও। বলা হচ্ছে যে, ৪ জন পাইলটই দেখেছেন যে, প্রচণ্ড গতি এবং তীব্র আলোয় গোটা আকাশ আলোকিত হয়েছিল সেই সময়।

একটি বেসরকারি সংস্থার মন্ট্রিয়ল হতে লন্ডনগামী এক বিমানের চালক বলেছেন যে, ‘প্রথমে আমাদের বিমানের বা দিকে প্রচণ্ড আলোর ঝলকানি দেখতে পেলাম। মুহূর্তের মধ্যেই আবার সেটি অদৃশ্য হয়ে গেলো।’ অন্য এক পাইলট বলেছেন যে, ‘সুপারসনিক বিমানের গতির চেয়েও গতি ছিল বেশি। আলো এতোটাই জোরালো ছিলো যে, ও রকম আলো দেখা যায়নি।’ ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং মহাকাশ বিজ্ঞানী রিচার্ড কোয়েলহো গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, ‘আমার ধারণা আসলেও অ্যালিয়েন রয়েছে। কারণ এর যথেষ্ট প্রমাণও পাওয়া গেছে। তবে বিষয়টি চূড়ান্তভাবে বলার সময় এখনও আসেনি। কারণ সভ্যতার আরও বিকাশের পর্বে সাধারণ মানুষই উপলব্ধি করবে যে ভিনগ্রহে ‘কিছু একটা’ আসলেও রয়েছে!’

Loading...