The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ধর্ষিতার কান্না থামাবে কে?

কুরুচির ও বিকৃত কিছু মানুষের নিপীড়ন থেকে রেহাই পাচ্ছে না কোমলমতি অবুঝ শিশুরা ও কিশোরীরাও

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমাদের এই স্বাধীন দেশে ধর্ষণসহ নানা ধরনের সামাজিক অপরাধ প্রবণতা বেড়েই চলছে দিনের পর দিন। ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনে যেনো এক অপার রেকর্ড হতে চলেছে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশে। এইসব ধর্ষিতার কান্না থামাবে কে?

ধর্ষিতার কান্না থামাবে কে? 1

কুরুচির ও বিকৃত কিছু মানুষের নিপীড়ন থেকে রেহাই পাচ্ছে না কোমলমতি অবুঝ শিশুরা ও কিশোরীরাও। ঘরে-বাইরে সর্বত্রই নারী ও শিশুর জন্য অনিরাপদ হয়ে উঠছে। হঠাৎ যেন মানুষের পাশবিক প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে ক্রমেই। একের পর এক ধর্ষণ, গণধর্ষণ ও যৌন হয়রানীর ঘটনা ঘটে চলেছে অবিরাম। কোনোভাবেই যেন এর লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না, এ যেন অবাধ স্বাধীন।

আসুন একটু জেনে নেই ধর্ষণের এই ধারাবাহিকতার মাত্রা

চলতি বছরের গত সাড়ে তিন মাসে ৩৯৬ জন নারী-শিশু হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।বেসরকারি সংগঠন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম ১৫ দিনে সারা দেশে ৪৭ শিশু ধর্ষণ, ধর্ষণচেষ্টা ও যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে। ৪৭ শিশুর মধ্যে ধর্ষণের শিকার ৩৯ জন। পুলিশ সদর দফতরের পরিসংখ্যান বলছে, সারা দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমনের মামলা হয়েছে ১ হাজার ১৩৯টি এবং হত্যা মামলা হয়েছে ৩৫১টি। উক্ত আলচনা বিশ্লেষণ করলে আমরা খুব সহজেই এই মহামারি ও ভয়াবহ ধর্ষণের গতশিলতা বুঝতে পাই। আমরা লক্ষ্য করতে পারি যে ধর্ষণ দিনে দিনে বেড়ে চলেছে যা আমাদের দেশ ও দেশের নারি, স্ত্রী, কিশোরী, ছাত্রী এমনকি শিশু পর্যন্ত হুমকির মুখে।

আধুনিক সময়ে ধর্ষণের কারণ সমূহঃ আমি মনে করি ধর্ষণ প্রবণতা একটি মানসিক ব্যাধি যা একজন মানুষকে পশুতে রূপান্তরিত করে থাকে। কিছু অসুস্থ মানসিকতার লোকজনই ধর্ষণকে বেছে নেয় তাদের হিংস্রতা প্রমাণের হাতিয়ার স্বরূপ।আমরা আধুনিক যুগের বাসিন্দা বর্তমান আধুনিক সমাজ ব্যবস্থা ও ডিজিটাল প্রবণতায় যারা নারী ও নারী সমাজকে যোগ্য অধিকার ও সম্মান দিতে প্রস্তুত নয় তারাই মানসিকভাবে বিকৃত হয়ে ধর্ষণের মতো ভয়াবহ অপরাধ করে থাকে।

# বর্তমানে মোবাইল এর ব্যবহার খুবি সহজলভ্য আমাদের সকলের কাছে। মোবাইল-ফোন দ্বারা ইন্টারনেট এর মাধ্যমে আমরা যেন গোটা পৃথিবীকে আমাদের হাতের মুঠোয় নিয়ে আসতে পারি নিমিষেই।বর্তমান সময়ে এই মোবাইল ফোন অথবা স্মার্ট-ফোন অধিকাংশ অশ্লীলতা ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। একটি স্মার্ট-ফোন ক্রয় করার পর প্রয়োজনীয় এপ্লিকেশন ডাউনলোড করে যেন আমরা আরো স্মার্ট হয়ে উঠি।সাধারণত গুগল প্লেষ্টোরে ঢুকে এন্টারটেইনমেন্ট পেজ থেকে এপ্লিকেশন ডাউনলোড করতে হয়।অবাক করা বিষয় এই পেজে যে সকল এপ্লিকেশন আছে তা বেশির ভাগই অশ্লীলতায় ভরপুর। মোবাইল ফোনের দুনিয়ায় এসব স্মার্টফোন গুলোবেশীর ভাগ ব্যবহার করছে তরুণ, কিশোর, যুবকরা যাদের বয়স টুকুই নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি আগ্রহী করে তোলে।যার ফলে এসব এপস ব্যবহার করে নিজের মনকে কলুষিত করে তোলে। এতে করে তারা ধর্ষণের প্রতিজানা ও আগ্রহি হয়ে উঠতে পারে।

# ইন্টারনেটে আমরা যখন কোন কিছু জানার ও খোঁজার প্রয়োজন মনে করি তখনই আমরা প্রথমে গুগলের শরণাপন্ন হই। কিছু কতিপয় অসুস্থ ও বিকৃত মানসিকতার লোকজন গুগলকেও অশ্লীল করে তুলেছে।
খুব সহজে এ গুগল সাইটে সার্চ দিয়ে অশ্লীল ফিল্ম, কার্টুন, ছবি, এ্যানিমেশন ইত্যাদি ডাউনলোড করে। যার ফলে আমাদের যুব ও তরুণ সমাজ নানান অশ্লীল কাজের প্রতি আগ্রহী হয়ে পড়ছে।

# স্বাভাবিক ভাবে আমরা বই পড়ি মেধা বিকাশ এর জন্য কিন্তু বর্তমানে ফুটপাতের বইয়ে দোকান গুলোই যেন আমাদের যুব সমাজ কে নানান ছবি ও কথার মাঝে তাদের চরিত্র নষ্ট করে দিচ্ছে ক্রমেই। এসমস্ত বইয়ের দোকান গুলোতে সাজিয়ে রাখা বিভিন্ন প্রকার বই, ম্যাগাজিন, দৈনিকসাপ্তাহিক, মাসিক সমসাময়িক পত্রিকা। এ গুলোর দিকে একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে মোড়কে অশ্লীল ছবি ও রগরগে বর্ণনা সম্বলিত কতিপয় বই ও ম্যাগাজিনের দিকে। প্রতিনিয়ত এ সমস্ত অশ্লীল বই কিনছে আমাদের তরুণ ও যুব সমাজ। যার একটি বিরুপ প্রভাব পড়ছে তাদের কোমল হৃদয়ে।
• বর্তমানে ইন্টারনেটে যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে সকলের অবাধ মেলামেশা, অতিব সহজে একে অপরের সাথে কথা বলা, ছবি শেয়ার করা, অশ্লীল পোস্ট প্রদান করা হয়ে থাকে। আর এ সকল কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দ্বারা অনেকেই প্রতারিত হয়ে থাকে এবং প্রতারণার জালে নানাবিধ অপকর্ম সংঘটিত হওয়ার আশঙ্কা ক্রমেই বেড়ে যায়।
সরকার বা আমরা ধর্ষণের বিরুদ্ধে যত কথাই বলি না কেন সমাজ থেকে ধর্ষণ কমাতে হলে তরুণদের হাত থেকে এসব অরুচিকর অশ্লীল জিনিসগুলো সরিয়ে নিতে হবে যার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ধর্ষণ সহ আরো নানাবিধ অপরাধ হতে পারে।

পারিবারিক দৃষ্টিভঙ্গি

পারিবারিক সচেতনতার মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই ধর্ষণের মত অপরাধ থেকে আমাদের সন্তানদের খুব সহজেই বিরত রাখতে পারি। পিতামাতার সন্তানের প্রতি সঠিক নজরদারির অভাবে এ সকল কর্মকাণ্ড ঘটতে পারে।সন্তানরা পর্নোগ্রাফির প্রতি আসক্ত হচ্ছে কিনা সেদিকে সঠিক নজর রাখতে হবে। সন্তানদেরসাথে পিতা-মাতার বন্ধুত্তসুলভ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে যাতে যে কোন ধরনের সমস্যা সন্তানেরা ভয় না করে খুব সহজেই বলে দিতে পারে এতে করে তাদের নানান অপরাধ থেকে রক্ষা করা সম্ভব। প্রত্যেক পরিবারের উচিত তাদের সন্তানকে সঠিক বয়স এর পর মোবাইল ফোন অথবা কম্পিউটার ব্যবহার করতে দেয়া।
তারা মবাইলে কোন পর্নোগ্রাফি সাইডের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে কি না সেদিকে খেয়ালরাখতে হবে। এ ছাড়া কিশোরদের অপরাধী হওয়ার নেপথ্যে আরও কিছু স্বভাবগত কারণ রয়েছে। যেমন- মাতা-পিতার অযত্ন-অবহেলা, উদাসীনতা, স্নেহহীনতা, সন্তানকে প্রয়োজনীয় ধর্মীয ও নৈতিক শিক্ষাদানে অমনোযোগীতা, পারিবারিক পরিমণ্ডলের ঝগড়া-বিবাদ, দারিদ্র্য, সুষ্ঠু বিনোদনের সঙ্কট, সামাজিক অসাম্য, দুঃখ-দুর্দশা, যথাযথ তদারকির ঘাটতি, অবিচার, আশৈশব দুর্ব্যবহার প্রাপ্তি, কুসংস্কার ও কুসঙ্গ, অতি আদর, আর্থিক প্রাচুর্য ও অনিদ্রার মতো বিষয়গুলো কিশোরদের অপরাধী করে তোলে।

শিশু ধর্ষণ

বাংলাদেশের শিশু বিষয়ক সংবাদগুলো ও খবরগুলো পর্যালোচনা করে ২০১৮সালের বাংলাদেশের শিশু পরিস্থিতিরএকটি চিত্র তৈরি করেছে একটি বেসরকারি সংস্থা।
বছর শেষে পুরো বছরের তথ্য উপাত্ত পর্যালোচনা করে ‘মানুষেরজন্যফাউন্ডেশন’ বলছে, ২০১৮সালে শিশুদের নিয়ে ১,০৩৭টি ইতিবাচক সংবাদের বিপরীতে নেতিবাচক সংবাদ ছিলো২,৯৭৩টি।

প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ২০১৮ সালে ধর্ষণের শিকার হওয়ার মোট ৩৪৫টি সংবাদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা ৩৫৬, যার মধ্যে মারা গেছে ২২ জন এবং আহত হয়েছে ৩৩৪ জন।

প্রকাশিত খবরগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায় শিশুরা প্রতিবেশী, উত্যক্তকারী, বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন বা অপরিচিত ব্যক্তির দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
এরমধ্যে উত্যক্তকারীদ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১১০ জন আর প্রতিবেশীদ্বারা ১০২জন। গণধর্ষণের শিকার ৩৭জন, শিক্ষকদ্বারা সতের জন। তবে ২০১৭ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে ধর্ষণ সংক্রান্ত সংবাদ সংখ্যাও ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া গতবছর ৫৩টিশিশুধর্ষণ চেষ্টা রশিকার হয়েছে যাদের প্রত্যেকেই আহত হয়েছে।

শিশুদের নিয়ে কাজ করা বিজ্ঞজনেরা বলছেন, ধারাবাহিকভাবে শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটতে থাকায় এবং এসব ঘটনার নৃশংসতায় নাগরিক হিসেবে আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। এসব ঘটনা আমাদের সমাজে শিশুদের অসহায় অবস্থায় ফেলে দিয়েছে। তারা বলছেন, অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া, দুর্বল চার্জশিট, বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এবং সর্বোপরি সামাজিক মূল্যবোধের ব্যাপকমাত্রায় অবক্ষয়ের কারণেই সমাজে শিশু ধর্ষণের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।

ধর্ষণের প্রতিকার

ধর্ষণকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে এবং শাস্তি নির্ধারণ করতে হবে যা দেখে ভয়ে এর প্রবণতা কমে যাবে। আর এর বিরুদ্ধে নানা আন্দোলনও গড়ে তুলতে হবে। যারা ধর্ষণ করে, তারাও জানে এর শাস্তি কঠিন। কিন্তু তবুও কেন দিনের পর দিন ঘটেই যাচ্ছে ধর্ষণের মতো জঘন্য কাজ। আইন, বিচার এমনকি ধর্মেও বর্ম , কোনো কিছুই কমাতে পারছে না ধর্ষণের হার। সমাধান চাইলে অবশ্যই আমাদের কারণ শনাক্ত করতে হবে, তারপর পথ্য।

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি

দেশে আইন আছে। সে আইনের প্রয়োগ করা প্রয়োজন। কোনো ফাঁক রাখা যাবেনা। সরাসরি মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, যাতে শিশুদের, নারীদের নিরাপদ রাখা যায়। একটা ধর্ষণের ঘটনা ঘটলে আমরা আরেকটা ধর্ষণের কথা ভুলে যাই।কিন্তু যখন দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দেয়া হবে, ধর্ষকদের বিচার হবে; তখন তারা একাজ করতে সাহস পাবেনা।ঠিক যেমনভাবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ফলে অ্যাসিড নিক্ষেপ কমে গেছে।ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হলে সকলের মনে ভয় কাজ করবে যার ফলে ধর্ষণ ধিরে ধিরে কমে যাবে বলে সমাজবিদরা মনে করেন। জেল জরিমানায় ছাড়া পেলে, সম্ভাব্য ধর্ষকদের কাছে নতুন কোন বার্তা পৌছায় না।এ জন্য প্রয়োজন দ্রুত কঠোর বিচার ব্যবস্থা।অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণ করতে হবে খুব দ্রুত যাতে তা অন্য কোন অপরাধের আড়ালে হারিয়ে না যায়।আর অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি কার্যকর করতে হবে আরও দ্রুত সময়ের মধ্যে।
প্রকাশিত তথ্য মতে কয়েকটি দেশের ধর্ষণের বিচারের উদাহরণ আমরাও বিবেচনা করে দেখতে পারি। যেমন-

 চীন: ধর্ষণ প্রমাণ হলেই আর কোনও সাজা নয়, বিশেষ অঙ্গ কর্তন এবং সরাসরি মৃত্যুদণ্ড। অন্য কোন শাস্তি নেই।

 ইরান: ধর্ষককে ফাঁসি, না হয় সোজাসুজি গুলি করা হয়। এভাবেই ধর্ষককে এদেশে শাস্তি দেওয়া হয়।

 আফগানিস্থা: ধর্ষণ করে ধরা পড়লে চার দিনের মধ্যে ধর্ষকের মাথায় সোজা গুলি করে মারা হয়।

 উত্তর কোরিয়া: অভিযোগ, গ্রেফতার আর তারপর অভিযোগ প্রমাণ হলে গুলি করে হত্যা করা হয়।

 সৌদি আরব: জুম্মার নামাযের পর ধর্ষককে প্রকাশ্যেই শিরশ্ছেদ করা হয়।

 সংযুক্ত আরব আমিরাত: সাত দিনের মধ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

 সৌদি আরব: শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে জনসমক্ষে শিরশ্ছেদ করা হয়।

 মঙ্গোলিয়া: ধর্ষিতার পরিবারের হাত দিয়ে ধর্ষককে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

 মিশর: ধর্ষককে জনসমক্ষে ফাঁসি দেওয়া হয়।

সাবধানতা

শুধু যে নারী ও শিশু ধর্ষণ হচ্ছে তা নয় বালক শিশুও বলাৎকারের শিকার হচ্ছে কতিপয় কুরুচিপূর্ণ অসৎ ও বিকৃত মানসিকতার কিছু মানুষ নামের পশুর দ্বারা। ধর্ষণ সম্পর্কে যদি আমরা আমাদের সন্তানদের ছোট বেলা থেকে সঠিক ধারণাদেই তাহলে স্বাভাবিকভাবে ধর্ষণের সংখ্যা কমে যাবে অনেক ক্ষেত্রেই ৷ তাছাড়া পাঠ্যপুস্তকেও এই ধর্ষণের আলচনায় ও সচেতনতায় গুরুত্ব দিতে হবে ৷ একজন ধর্ষিতাকেও আমাদের সঠিক মর্যাদা দিতে হবে যাতে করে আমরা তার মনোবল জগাতে পারি। একজন ধর্ষিতার ডাক্তারি বা মনস্তাত্ত্বিক সাহায্য ছাড়াও প্রয়োজন পরিবার, বন্ধু বান্ধব ও সমাজের বন্ধুবৎসল আচরণ।

ধর্ষিতা নারীকে শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণার শিকার হতে হয়, সে সম্পর্কেও আমাদের সকলের সচেতন হতে হবে৷ অনেকে যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন৷ তারা যাতে তা না করতে পারেন এই ব্যাপারে পরিবারের সঠিক খেয়াল ও ভুমিকা অপরিহার্য।

Loading...