The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

হুন্দাইয়ের প্রথম ইলেকট্রিক গাড়ি বাজারে এলো

হুন্দাই কোম্পানির প্রথম বিদ্যুৎ চালিত গাড়ি এসইউভি ‘কোনা’

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বাজারে এনেছে হুন্দাই কোম্পানির প্রথম বিদ্যুৎ চালিত গাড়ি এসইউভি ‘কোনা’। সম্প্রতি ভারতের বাজারে এই গাড়িটি মুক্ত করা হয়েছে।

হুন্দাইয়ের প্রথম ইলেকট্রিক গাড়ি বাজারে এলো 1

জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে এক হাজার গাড়ি ভারতের বাজারে ছাড়া হচ্ছে। এই গাড়ি পাওয়া যাবে নির্দিষ্ট ২০টি শহরে হুন্দাই ডিলার শোরুমগুলোতে। গ্রাহকদের চাহিদার ওপর নির্ভর করে পরবর্তী সময় আরও গাড়ি আনা হবে কোরিয়া হতে। গাড়িটির দাম ধরা হয়েছে ২৫.৩০ লাখ টাকা।

জানা গেছে, ইলেকট্রিক এসইউভি ‘কোনা’ বিশ্ববাজারে দু’টি পৃথক ব্যাটারির অপশনেই পাওয়া যাবে-ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রিক লাইট যা ৬৪কিলোওয়াট ও ৩৯.২ কিলোওয়াট প্রতি ঘণ্টার ক্ষমতাসম্পন্ন লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিযুক্ত। জানানো হয়েছে, ভারতে পাওয়া যাবে ৩৯.২ কিলোওয়াট প্রতি ঘণ্টার ক্ষমতাযুক্ত ব্যাটারির গাড়িটি। এই গাড়িটি হবে ১৩৬ হর্সপাওয়ারের ক্ষমতাসম্পন্ন এবং ৩৯৫ নিউটন-মিটার টর্ক আউটপুটের ক্ষমতা সম্পন্ন গাড়ি। এই গাড়ির সর্বোচ্চ গতি হবে ১৫৫ কিমি প্রতি ঘণ্টায়। এই গাড়ি একবার চার্জ দিলে ৩১২ কিলোমিটার চলবে। এই গাড়ির ব্যাটারি চার্জ হতে ৬ ঘণ্টা সময় লাগবে।

এসইউভি গাড়ির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর ‘অফ-রোড ড্রাইভিং’ ফিচার অর্থ্যাৎ খারাপ রাস্তা বা পার্বত্য অঞ্চলেও এই গাড়ি খুব সহজেই চলতে পারবে। হুন্দাইয়ের এই ইলেকট্রিক গাড়িতে “অল হুইল ড্রাইভ” ফিচার থাকবে না, টর্কের মাধ্যমে উৎপন্ন শক্তি সরাসরি সামনের চাকায় বা ড্রাইভিং হুইলে পৌঁছাবে। অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে ৭ ইঞ্চির ডিজিটাল ইনফোটেইনমেন্ট স্ক্রিন যেখানে অ্যাপল কার প্লে ও অ্যান্ড্রয়েড অটো ব্যবহার করে নানা অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে। সেইসঙ্গে থাকবে ‘হিটেড ও ভেন্টিলেটেড সিট’ যা চালকদের গাড়ি চালানোর সময় আরামের জন্য সুযোগ করে দেবে।

আবার গাড়ি ও চালকের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেও অনেকগুলো ফিচার দেওয়া হয়েছে হুন্দাই ‘কোনা’তে। এর মধ্যে অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর ৬টি এয়ার ব্যাগ, যা প্রতিটি সিটের সঙ্গেই লাগানো থাকবে। তাছাড়া ‘অ্যান্টি লক-ব্রেক সিস্টেম’, ‘ব্লাইড স্পট ডিটেকশন’, ‘হিল-স্টার্ট অ্যাসিস্ট’ রিভার্স ক্যামেরাও থাকবে এই গাড়িতে। থাকছে ‘রিয়েল টাইম ট্রাফিক কন্ট্রোল’ ও ‘অটোনোমাস ইমারজেন্সি ব্রেক সিস্টেম’। এইসব সুযোগ সুবিধাগুলো ইলেকট্রিক গাড়িটিকে আরও বেশি ব্যবহার উপযোগী করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে বাংলাদেশের বাজারে কবে নাগাদ এই ইলেকট্রিক গাড়ি আসতে পারে সে বিষয়ে অবশ্য এখনও কিছু জানা যায়নি।

Loading...