The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

এক যুগান্তকারী আবিষ্কৃার হলো রঙিন এক্সরে

এই রঙিন এক্সরের কারণে হাড়ভাঙা ও অন্যান্য রোগনির্ণয় এখন থেকে হবে আরও সহজতর

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিজ্ঞান মানুষের জীবন যাত্রা সত্যিই সহজ থেকে আরও সহজতর করে তুলছে। প্রতিনিয়ত আবিষ্কার হচ্ছে নানা যন্ত্র। এবার এমনই এক যন্ত্রের আবিষ্কার চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশেষ উপকারে আসবে। আর সেটি হলো রঙিন এক্সরে!

এক যুগান্তকারী আবিষ্কৃার হলো রঙিন এক্সরে 1

বিজ্ঞান মানুষের জীবন যাত্রা সত্যিই সহজ থেকে আরও সহজতর করে তুলছে। প্রতিনিয়ত আবিষ্কার হচ্ছে নানা যন্ত্র। এবার এমনই এক যন্ত্রের আবিষ্কার চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশেষ উপকারে আসবে। আর সেটি হলো রঙিন এক্সরে! এই আবিষ্কার চিকিৎসা বিজ্ঞানে আসবে আমূল পরিবর্তন। মানব সভ্যতায় তাই এটিকে বলা যায় এক যুগান্তকারী আবিষ্কার।

এই রঙিন এক্সরের কারণে হাড়ভাঙা ও অন্যান্য রোগনির্ণয় এখন থেকে হবে আরও সহজতর। রোগনির্ণয়ের জন্য এই রঙিন এক্সরে আবিষ্কার করলো ইউরোপীয় গবেষণা ও উদ্ভাবনী সংস্থা সার্ন-এর বিজ্ঞানীরা। শুধু রঙিন এক্সরে তা নয়, নতুন এই এক্সরটি মূলত হবে ত্রিমাত্রিক। এই আবিষ্কারের জন্য সার্নের বিজ্ঞানীরা ২০ বছর ধরে গবেষণা করেছেন।

সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়, এই আবিষ্কারের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে কণা অনুসন্ধান প্রযুক্তি যাকে বলা যায় পার্টিকেল ট্র্যাকিং টেকনোলজি। গবেষকদের ধারণা মতে, এই আবিষ্কারের কারণে শরীরের অভ্যন্তরীণ অংশের ছবি আরও স্পষ্ট এবং নির্ভুলভাবে দেখা যাবে। যে কারণে এই পদ্ধতিতে শরীরের কোষ, কলা, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়াও সম্ভব হবে। এক্স-রে’র বর্তমান পদ্ধতিতে শুধুমাত্র দ্বিমাত্রিক ছবি পাওয়া সম্ভব হয়। সার্ন-এর গবেষকদলের প্রধান ফিল বাটলার দাবি করেছেন যে, কোনো যন্ত্রই এতো নির্ভুল ছবি তুলতে পারবে না। হিগস-বোসন কণাকে হাতের মুঠোয় বন্দী করা সার্নের বিখ্যাত লার্জ হ্যার্ডন কোলাইডারের মাধ্যমেই এই আবিষ্কারটি করেছেন গবেষকরা।

এই আবিষ্কৃত বিশেষ রঙিন এক্স-রে দেহের অস্থি, তরুণাস্থি এবং পেশীগুলিকে আরও স্পষ্ট করে তুলে আঘাতের সঠিক উৎপাদনস্থল ও তার অবস্থান নির্ণয়ে সক্ষম হবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। শুধু তাই নয়, এটির মাধ্যমে টিউমারের উপস্থিতিও শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এই যন্ত্রের ব্যবহারে চিকিৎসাবিজ্ঞান অনেকটাই এগিয়ে যাবে বলেও আশাপ্রকাশ করেছেন এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গবেষকরা। সার্নের এই প্রযুক্তিকে বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগাচ্ছে নিউজিল্যান্ডের একটি বহুজাতিক কোম্পানি। তাদের এই কাজে সাহায্য করে আসছে ইউনিভার্সিটি অব ওটাগো ও ইউনিভার্সিটি অব ক্যান্টারবেরি।

Loading...