The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

গবেষণা বলছে: হাতে ৫ ঘণ্টার বেশি সময় মোবাইল থাকলেই বিপদ!

এই প্রযুক্তির যেমন ভালো দিক রয়েছে ঠিক তেমনি খারাপ দিকও রয়েছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বর্তমানে প্রযুক্তির কারণে মানুষ যেনো দিনকে দিন প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছেন। আর এই প্রযুক্তির যেমন ভালো দিক রয়েছে ঠিক তেমনি খারাপ দিকও রয়েছে। এবার এক গবেষণা বলছে, হাতে ৫ ঘণ্টার বেশি সময় মোবাইল থাকলেই বিপদ!

গবেষণা বলছে: হাতে ৫ ঘণ্টার বেশি সময় মোবাইল থাকলেই বিপদ! 1

বর্তমানে প্রযুক্তির কারণে মানুষ যেনো দিনকে দিন প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছেন। আর এই প্রযুক্তির যেমন ভালো দিক রয়েছে ঠিক তেমনি খারাপ দিকও রয়েছে। এবার এক গবেষণা বলছে, হাতে ৫ ঘণ্টার বেশি সময় মোবাইল থাকলেই বিপদ!

সারাদিনে ৫ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে মোবাইল ব্যবহারকারীদের মধ্যে মোটা হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে বলে এক গবেষণা রিপোর্টে উঠে এসেছে। সম্প্রতি কলম্বিয়ার সিমোন বলিভিয়ার ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক সমীক্ষা চালিয়ে এমন একটি তথ্য দিয়েছেন।

সাধারণতভাবে মোটা হলে বা ওজন বাড়লে হৃদরোগের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে করে নানা রোগ ব্যাধি তখন শরীরে বাসা বাঁধতে থাকে।

কলম্বিয়াতে ১০৬০ জন শিক্ষার্থীর ওপর এক সমীক্ষা চালিয়ে এই তথ্য দিয়েছেন গবেষকরা। যাদের বয়স ১৯ হতে ২০ বছরের মধ্যে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মোবাইল প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। মানুষের খাদ্যাভ্যাসও বদলে দিচ্ছে, জীবন ধারণের দৃষ্টিভঙ্গীও বদলে দিচ্ছে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে ওইসব শিক্ষার্থীদের ওজনে এবং শরীরের উপর।

এমনটিই জানিয়েছেন কলম্বিয়ার সিমোন বলিভিয়ার ইউনিভার্সিটির গবেষক দলের একজন মিরারি ম্যানটিলা মোরোন।

সমীক্ষায় দেখা যায় যে, যারা মোবাইল ফোন দিনে অনেকক্ষণ সময় ধরে ব্যবহার করে থাকেন, তাদের মধ্যে মোটা হওয়ার প্রবণতা ৪৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সেই সঙ্গে গবেষণায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে স্ন্যাক্স, মিষ্টি, ফাস্ট ফুড খাওয়ার প্রবণতা। দিনের মধ্যে বেশিরভাগ সময় মোবাইলে কাটানোর কারণে শরীরচর্চা করার প্রবণতাও কমে গেছে তাদের মধ্যে।

অপরদিকে যেসব শিক্ষার্থীরা মোবাইলে কম সময় দিয়ে থাকেন, তাদের মধ্যে মোটা হওয়ার প্রবণতা অপেক্ষাকৃত অনেকটাই কম বলে দেখেছেন গবেষকরা। তাই গবেষকদের পরামর্শ হলো প্রয়োজনের অতিরিক্ত যেমন সবকিছু খারাপ ঠিক তেমনি প্রয়োজন না হলে মোবাইল ফোন ব্যবহার না করায় হবে বুদ্ধিমানের কাজ। তাছাড়া সাম্প্রতি সময় টিন এজারদের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহারের মাত্রা খুব বেশি আকারে দেখা যাচ্ছে। সময় থাকতে সকলকেই সতর্ক হতে হবে। নইলে এর প্রভাব আমাদের জীবন মানের উপরে পড়বে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...