The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ফেসবুকের বদৌলতে ১১ বছর পর পরিবারের কাছে এক তরুণী!

মহারাণী ২০০৮ সালের দিকে সিরিয়ায় চলে যান। সেই সময় যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সিরিয়ায় যাওয়ার পর পরিবারের সঙ্গে মহারাণীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়, এবার ইন্দোনেশিয়ান তরুণী ফেসবুকের বদৌলতে ১১ বছর পর পরিবারের কাছে ফিরে এসেছেন! এই ঘটনাটি বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ১১ বছর পর পরিবারের কাছে আবার ফিরে আসার ওই ঘটনাটি মানুষের মুখে মুখে এখন শোভা পাচ্ছে। বর্তমান সময়ে ফেসবুক বা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো এমন অনেক সোস্যাল কাজের সঙ্গে যুক্ত যে, সমাজের নানা সমস্যা সমাধান হয়ে থাকে। হারানো সন্তানকে কেও ফিরে পান, কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করার মাধ্যমে সমাজকে জানাতে পারেন, এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সমাধান হয়ে থাকে। এই ঘটনাটিও তেমনই একটি ঘটনা।

ফেসবুকের বদৌলতে ১১ বছর পর পরিবারের কাছে এক তরুণী! 1

সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়, এবার ইন্দোনেশিয়ান তরুণী ফেসবুকের বদৌলতে ১১ বছর পর পরিবারের কাছে ফিরে এসেছেন! এই ঘটনাটি বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ১১ বছর পর পরিবারের কাছে আবার ফিরে আসার ওই ঘটনাটি মানুষের মুখে মুখে এখন শোভা পাচ্ছে। বর্তমান সময়ে ফেসবুক বা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো এমন অনেক সোস্যাল কাজের সঙ্গে যুক্ত যে, সমাজের নানা সমস্যা সমাধান হয়ে থাকে। হারানো সন্তানকে কেও ফিরে পান, কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করার মাধ্যমে সমাজকে জানাতে পারেন, এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সমাধান হয়ে থাকে। এই ঘটনাটিও তেমনই একটি ঘটনা।

সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়, ইন্দোনেশিয়ান জনৈক নারী শ্রমিক মহারাণী বিনতে মারজুকি ফেসবুকের বদৌলতে দীর্ঘ ১১ বছর পর পরিবারের খোঁজ পেয়েছেন। ওই নারীকর্মীর এক নিকট আত্মীয় অপরিচিত একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মহারাণীর ছবিটি দেখতে পান। নিজের কোনো ফেসবুক আইডি না থাকার কারণে আরসি নামের ওই নারীকে মহারাণী তার একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করতে অনুরোধ করেছিলেন।

মহারাণীর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন যে, ৩০ বছর বয়সী মহারাণী তার হারিয়ে যাওয়া দিনগুলোর বেশিরভাগ সময়ই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সিরিয়াতে কাটিয়েছে।

মহারাণী ২০০৮ সালের দিকে সিরিয়ায় চলে যান। সেই সময় যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সিরিয়ায় যাওয়ার পর পরিবারের সঙ্গে মহারাণীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। দীর্ঘ প্রায় এক দশক ধরে কোনোভাবেই পরিবারের সঙ্গে মহারাণীর যোগাযোগ করা সম্ভবই হয়নি।

এক অপরিচিত নারী তার ফেসবুক আইডিতে মহারাণীর ছবিটি আপলোড দেওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তার পরিবারের লোকজন ভেবেছিল সে হয়তো হারিয়ে গেছে নয়তোবা মারা গেছে। জানা যায় যে, এই পরিচয় ঘটনার পর মহারাণী বর্তমানে নিজ দেশ ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় পৌঁছাতে পেরেছেন বলে সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়।

Loading...