The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ব্যাগেজ ফি বাঁচাতে তরুণী কী কৌশল নিলেন দেখুন!

৯ কেজির একটি হাতব্যাগ নিয়ে বিমানে ওঠার সময় শুল্ক কর্মকর্তার মুখোমুখি হন গেইল রদ্রিগেজ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ তরুণী গেইল রদ্রিগেজ। নিজের সঙ্গে থাকা কোনো জিনিসপত্র হাতছাড়া করতে মোটেও রাজি নন এই তরুণী। বিমানে ওঠার সময় অতিরিক্ত জিনিসপত্রের জন্য ব্যাগেজ ফিও দিতে রাজি নন তিনি। তাই তিনি অভিনব কাণ্ড করলেন!

ব্যাগেজ ফি বাঁচাতে তরুণী কী কৌশল নিলেন দেখুন! 1

ওই তরুণী অতিরিক্ত ফি দেওয়ার হাত থেকে বাঁচতে ঘটালেন এক অদ্ভুত কাণ্ড। টপাটপ পরে নিলেন তার সঙ্গে থাকা বেশ কয়েকটি শার্ট এবং টি শার্ট। অপরদিকে প্যান্টের ওপর পরে নিয়েছেন বেশ কয়েকটি ট্রাউজার। সব মিলিয়ে পোশাকগুলোর ওজন ছিল আড়াই কেজির মতো! এমন একটি ঘটনা ঘটেছে ফিলিপাইনের একটি বিমানবন্দরে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ৯ কেজির একটি হাতব্যাগ নিয়ে বিমানে ওঠার সময় শুল্ক কর্মকর্তার মুখোমুখি হন গেইল রদ্রিগেজ। কেবিনে বহনযোগ্য হাতব্যাগ কিংবা লাগেজের সর্বোচ্চ ওজন হতে হয় ৭ কেজি। এর বেশি ওজন নিয়ে কেও ভ্রমণ করতে পারেন না। যদি কাস্টমসে চেক করার সময় ধরা পড়ে তাহলে তাকে অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলার নিয়ম। তা নাহলে ভ্রমণের সময় ধরা পড়লে অতিরিক্ত মাল বহনের জন্য নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হয় ওই যাত্রীকে।

ফিলিপাইনে বিমান হতে নামার পরপরই শুল্ক বিভাগে যেতে হয় গেইল রদ্রিগেজকে। এই সময় অতিরিক্ত ২ কেজি পণ্য বহনের জন্য ফি পরিশোধ করতে বলা হলে অভিনব এক কৌশলের আশ্রয় গ্রহণ করেন তিনি। ওই তরুণী ব্যাগ খুলে পরতে শুরু করেন একের পর শার্ট এবং টি-শার্ট। হাতে প্যান্ট উঠে আসলে কিছু না ভেবে তাও পরে ফেলেন তিনি নিজেই। প্রায় আড়াই কেজি ওজন কমানোর পর ব্যাগ মাপতে বলেন কর্তব্যরত কাস্টমস অফিসারকে। ওজন সাড়ে ৬ কেজিতে নামার পর আর তাকে অতিরিক্ত ফি পরিশোধ করতে হয়নি।

এই ঘটনায় অনেকেই অবাক হয়ে গেইল রদ্রিগেজের ছবি তোলেন ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে শেয়ারও করেন। ঘণ্টা না পেরোতেই কয়েক হাজারবার শেয়ার হয় তার ছবিটি। অনেকেই তাকে কমেন্ট করে উৎসাহও দিতে থাকেন একের পর এক।

এই বিষয়ে গেইল রদ্রিগেজ মজা করে জানিয়েছেন, আগে যদি জানতেন তার ছবি ভাইরাল হবে তবে হয়তো আরেকটু ভালো পোজ দিতে পারতেন। ভবিষ্যতে এমন কোনো কাজ করার ইচ্ছা তার নেই। গরমের মধ্যে এতোগুলো পোশাক পরে তিনি নিজেই বিপদে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছেন গেইল রদ্রিগেজ।

তার পোস্টে মন্তব্যকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আইন মেনেই পণ্য বহন করা উচিত।

Loading...