The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের মজিদবাড়িয়া শাহী জামে মসজিদ

প্রাচীন এই মুসলিম স্থাপত্য-শিল্পটি ৫৫৩ বছর আগের নির্মাণ করা হয়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৯ খৃস্টাব্দ, ১১ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৫ সফর ১৪৪১ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের মজিদবাড়িয়া শাহী জামে মসজিদ 1

বাংলাদেশকে বলা হয় প্রকৃতির লীলাভূমি। দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে রয়েছে প্রকৃতির অপার মহিমা। সঙ্গে রয়েছে চোখ ধাধানো স্থাপত্য ও পুরাকীর্তি। এসব পুরাকীর্তির একটি হলো পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জের মজিদবাড়িয়া শাহী জামে মসজিদ।

সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়, প্রাচীন এই মুসলিম স্থাপত্য-শিল্পটি ৫৫৩ বছর আগের নির্মাণ করা হয়। সেই সুলতানি আমলে এই মসজিদের নামানুসারে এলাকার নাম ছিল মসজিদবাড়িয়া।

সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায় যে, পরবর্তীকালে মজিদ নামে এক ইউপি চেয়ারম্যান মসজিদবাড়িয়াকে মজিদবাড়িয়ায় পরিবর্তন করেছিলেন।

কালের পরিক্রমায় মসজিদটির সৌন্দর্য এবং ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। শিল্প ও স্থাপত্যের নিদর্শনগুলো যত্নের অভাবে দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এইসব ঐতিহ্য। এই ঐতিহাসিক মসজিদটি দেখতে ভিড় জমান শত শত দর্শনার্থী। পটুয়াখালী জেলা শহর হতে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ও বরগুনা জেলা শহর হতে ১২ কিলোমিটার পূর্বে এই মসজিদটির অবস্থান।

ঐতিহাসিক বিভিন্ন সূত্রে বলা হয়েছে, ইলিয়াছ শাহী বংশের স্বাধীন সুলতান রুকনুদ্দিন শাহ্ তৎকালীন বাকলা দখল করে ১৪৬৫ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। চন্দ্রদ্বীপে (বর্তমান বরিশাল বিভাগের) এই মসজিদই ইটের নির্মিত সর্বপ্রথম স্থাপত্যকীর্তি।

সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়, মসজিদটিতে রয়েছে একটি বারান্দা। রয়েছে কারুকার্যমণ্ডিত ৩টি দৃষ্টিনন্দন মেহরাবও। মসজিদের পূর্ব পার্শ্বে ৩টি খিলান পথ এবং ৮ কোণার মিনারের মতো ৬টি থাম রয়েছে। পূর্ব-উত্তর এবং দক্ষিণ দিকে দু’টি করে জানালা রয়েছে। তবে সংস্কারের অভাবে দরজা-জানালার কপাট এবং চৌকাঠগুলো ভেঙে পড়ার পথে।

বিশাল এক গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদটিকে অনিন্দ্য সৌন্দর্য দিয়েছে। এই মসজিদের দেওয়াল প্রায় ৭৫ ইঞ্চি পুরু। এই মসজিদের ভেতরের দেওয়ালে রয়েছে বিভিন্ন কারুকাজকৃত মুসলিম স্থাপত্যের প্রাচীন কিছু নিদর্শনও। তবে অযত্নে দেওয়ালের পলেস্তারা খসে খসে পড়ছে।

সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, দ্রুত সংস্কার করলে এই মসজিদটি আরও দৃষ্টিনন্দন এবং আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। বাংলাদেশে মুসলিম শাসনের ইতিহাস-ঐতিহ্য, ইসলামি স্থাপত্যশিল্প হিসেবে টিকে থাকবে বহুযুগ ধরে।

তথ্যসূত্র: https://www.ekushey-tv.com

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

bn_BDBengali