The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

জেল পালিয়ে ১৭ বছর ধরে জঙ্গলে বসবাস!

নারী ও শিশুপাচারের অপরাধে জেলে গিয়েছিলেন সং জিয়াং নামে ওই চীনা ব্যক্তি

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ জেল থেকে পালিয়ে কোথায় যাবেন তা বুঝে উঠতে পারছিলেন না। যেখানে যাবেন সেখানেই পুলিশ তার পিছু নেবে। সেই ভয়ে শেষ পর্যন্ত জঙ্গলে গিয়ে কাটিয়ে দিলেন ১৭টি বছর! কিন্তু তাও কী শেষ রক্ষা হয়েছে ওই ব্যক্তির? নাকি ওই ব্যক্তিকে এতো বছর পর আবারও জেলে যেতে হয়েছে? তাহলে কী তাকে আবারও জেলের ঘানি খাটতে হবে?

জেল পালিয়ে ১৭ বছর ধরে জঙ্গলে বসবাস! 1

জেল থেকে পালিয়ে কোথায় যাবেন তা বুঝে উঠতে পারছিলেন না। যেখানে যাবেন সেখানেই পুলিশ তার পিছু নেবে। সেই ভয়ে শেষ পর্যন্ত জঙ্গলে গিয়ে কাটিয়ে দিলেন ১৭টি বছর! কিন্তু তাও কী শেষ রক্ষা হয়েছে ওই ব্যক্তির? নাকি ওই ব্যক্তিকে এতো বছর পর আবারও জেলে যেতে হয়েছে? তাহলে কী তাকে আবারও জেলের ঘানি খাটতে হবে?

সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, নারী ও শিশুপাচারের অপরাধে জেলে গিয়েছিলেন সং জিয়াং নামে এক চীনা ব্যক্তি। একদিন সুযোগ বুঝেই জেল থেকে পালিয়ে যান এই চীনা নাগরিক। তারপর শত চেষ্টাতেও তার কোনো সন্ধান পায়নি চীনা পুলিশ। দেখতে দেখতে এরই মধ্যে কেটে গেছে ১৭টি বছর। এতোদিন পর অবশেষে আবার বাগে পাওয়া গেছে ওই নিখোঁজ ব্যক্তির।

গত মাসের এই ঘটনাটি প্রকাশ পেয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসিতে। সংবাদ মাধ্যমটি তার এক খবরে জানিয়েছে, ২০০২ সালে একটি কারাগার হতে পালিয়েছিলেন সং জিয়াং। দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের ইউনান প্রদেশে তার শহরে নিয়মিত অনুসন্ধান চালিয়েও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। কোনো কূল-কিনারা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ড্রোনের সাহায্য নেওয়া হয়। অবশেষে গত সেপ্টেম্বর মাসের প্রথমদিকে ছোট একটা সূত্র খুঁজে পায় স্থানীয় পুলিশ।

সংবাদ মাধ্যমটির সংবাদে বলা হয়, কোনো একদিন ঘন জঙ্গলের মধ্যে নীল রঙের ধাতব একটি বস্তু পড়ে থাকতে দেখা যায়। ড্রোন তার কাছে যেতেই চোখে পড়ে, গুহার ঠিক কাছেই পড়ে রয়েছে বেশ কিছু গৃহস্থালি জিনিসপত্র। পরে পুলিশ সদস্যরা স্বশরীরে গিয়ে ওই গুহা থেকে সং জিয়াংকে গ্রেফতার করেন।

সংবাদ মাধ্যমটির সংবাদে বলা হয়, সং জিয়াং জঙ্গলে গাছের ডালপালা দিয়ে আগুন জ্বালাতেন এবং পানি পানের জন্য প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার করতেন। সাজার ভয়ে এতোদিন ধরে পাহাড়ি গুহায় একা একা থেকেও নিস্তার পেলেন না তিনি, আবার সেই জেলখানাতেই পাঠানো হয়েছে ৬৩ বছর বয়সী ওই ব্যক্তিকে।

Loading...