The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ভবিষ্যতের যাদুঘর: পৃথিবীর সবচেয়ে মনমুগ্ধকর ফিউচার জাদুঘর!

বর্তমানে আমাদের বিশ্বায়ন ও নগরায়নের যুগে তৈরি হচ্ছে হাজারো চমকপ্রদ ও মনোরম সব অট্টালিকা

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বর্তমানে আমাদের বিশ্বায়ন ও নগরায়নের যুগে তৈরি হচ্ছে হাজারো চমকপ্রদ ও মনোরম সব অট্টালিকা। এর মধ্যেই গড়ে উঠেছে ভবিষ্যতের যাদুঘর। যাকে বলা যায় পৃথিবীর সবচেয়ে মনমুগ্ধকর ফিউচার জাদুঘর!

ভবিষ্যতের যাদুঘর: পৃথিবীর সবচেয়ে মনমুগ্ধকর ফিউচার জাদুঘর! 1

বর্তমানে আমাদের বিশ্বায়ন ও নগরায়নের যুগে তৈরি হচ্ছে হাজারো চমকপ্রদ ও মনোরম সব অট্টালিকা। এসকল ভবনের উচ্চতা, ডিজাইন ও কার্যকারিতা দেখে চোখ কপালে ওঠার মতো অবস্থা হয় অনেকেরই। এসকল নির্মাণ তৈরীর ক্ষেত্রে ব্যয় করা হয় প্রচুর অর্থ, সময় এবং দিতে হয় সঠিক দক্ষতা ও শ্রম। নানাবিধ ভবন ও বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্র দুবাই এর কোনো জুড়ি নেই। ঠিক সেখানেই তৈরি হতে যাচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে মনমুগ্ধকর ফিউচার জাদুঘর। দুবাইতে যেখানে সুবিশাল ভবন বা নির্মাণ প্রায় রাতারাতি হয়ে যায় এবং সেই সকল জিনিস ও তাদের পারদর্শী কাজকর্ম দেখে আমরা সকলে অবাক হয়ে উঠি সেখানেই বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বিস্ময়কর তালিকার মধ্যে স্থান দখল করার মত চলছে ফিউচার জাদুঘরের নির্মাণ কাজ যা দাঁড়িয়ে আছে চালকবিহিন মেট্রো চালানোর সিস্টেম এর উপরে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা এটি নির্মাণ হয়ে গেলে পৃথিবীর আশ্চর্য বিস্যয়কর বিষয়গুলোর মধ্যে খুব সহজে স্থান করে নেবে এই বিস্ময়কর ভবিষ্যৎ জাদুঘর বা ফিউচার মিউজিয়ামটি।

এই চমকপ্রদ আবিষ্কারের কাঠামো ২০১৮ সালে সম্পন্ন করা হয় যাতে ব্যবহার করা হবে ২৪০০ তীর্যকভাবে তৈরি করা ইস্পাত। এতে ব্যবহারকৃত সকল মুখের প্যানেলগুলো এখন জায়গা থেকে তুলে নেয়া হচ্ছে। এক বছরের মধ্যে এই জাদুঘরটি খোলার কথা রয়েছে। জাদুঘরটির ওপেনিং ও এর কার্যক্রম শেষ করা একটি চ্যালেঞ্জের বিষয় বলে মনে করছেন দুবাইয়ের এই যাদুঘর নির্মাণাধীন সকল কর্তৃপক্ষ। এটি ২০২০ সালের ২০ শে অক্টোবর থেকে এটি একটি বিশ্ব এক্সপোর আয়োজন করবে বলে জানান জানা যায়। এটির আকারকে আর্কিটেকচার ওয়ার্ল্ড উপবৃত্তাকার ভার্সনের সাথে বা এর জাদুঘরে আকৃতিটিকে টরাস হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে। এছাড়া এটিকে একটি দৈত্য হুলা হুপ এর মত দেখা যায়। জাদুঘরের আকৃতি ও ডিজাইন নিয়ে একেক জন একেক মতবাদ প্রকাশ করলেও মিউজিয়ামটির নির্বাহী পরিচালক লেথ কার্লসন এটিকে চোখের তুলনায় বেশি পছন্দ করে থাকেন। স্থপতিদের মতে এই কাঠামোটির শক্ত অংশটি আজ আমাদের যে জ্ঞান রয়েছে তার দিক নির্দেশনা অনুসরণ করে এবং অকার্যকর সমস্ত কিছুই প্রতিনিধিত্ব করার আমরা এখনো জানিনা -অন্য কথায় ভবিষ্যৎ।

সমগ্র আমিরাত জুড়ে শতশত অন্যান্য নির্মাণ থেকে খুব সহজেই এই বিল্ডিং কে চিহ্নিত করা যেতে পারে। এমন একটি আকার ও সভায় বিল্ডিং এর মধ্যে স্থাপন করা হয়েছে যে খুব সহজেই স্বাভাবিকভাবে একে খুঁজে বের করা সম্ভব। এর সম্মুখে প্রতিটি প্যানেল স্থির ভাবে স্থির হয় থাকবে তার ওপর আরবি ক্যালিগ্রাফি থাকবে যা জাদুঘরকে বাইরে থেকে শোভা প্রদান করবে। জাদুঘরের বাইরে সভাপ্রদান করার আরবি লেখা গুলো সঠিক কোন শব্দ বা কোন কথা প্রকাশ করে সেক্ষেত্রে এখনো কোন তথ্য প্রদান করা হয়নি। তবে জানা যায় এই লেখা বা এই কথাগুলো দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম এর লেখা কবিতার কিছু বাক্যাংশ বা অংশবিশেষ। জাদুঘরের জানালা ও অন্যান্য বাহ্যিক সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে স্ক্রিপ্ট গুলিকে দ্বিগুণ করা হয়েছে। এটি এতই আলোকিত করা হবে যে রাতে এটি ১৪ কিলোমিটার পর্যন্ত এলইডি আলোতে নাটকীয় ভাবে আলোকিত হয়ে থাকবে।

কল্পের প্রধান পরামর্শদাতা, যুক্তরাজ্যের বুরোহ্যাপল্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বলেছেন যে প্যারামেট্রিক ডিজাইন এবং বিল্ডিং ইনফরমেশন মডেলিং (বিম) না থাকলে এটি একটি অসম্ভব উদ্যোগ ছিল। প্যারামেট্রিক ডিজাইন হল একটি প্রক্রিয়া যা অ্যালগরিদমিক চিন্তাভাবনার উপর ভিত্তি করে, যা নির্দিষ্ট ভেরিয়েবল বা পরামিতিগুলিকে কোনও সমীকরণের ফলাফলকে পরিবর্তিত করতে ম্যানিপুলেট করতে দেয়।

স্টিলের কাঠামোর নকশাগুলি ডায়াগ্রিড হিসাবে পরিচিত কারণ এটি তির্যকভাবে ছেদ করা মরীচি এবং লাইটওয়েট ফ্যাসাদ দিয়ে তৈরি। এই আকার এবং জটিলতার বিল্ডিংয়ের জন্য সবচেয়ে ব্যবহারিক সমাধান হিসাবে এটি ইস্পাত বা কংক্রিটের শেলের উপরে বেছে নেওয়া হয়েছিল।স্টেইনলেস স্টিল সমাপ্তি এবং গ্লিজিংয়ের যোগ করার আগে ১০২৪ প্যানেলগুলির প্রত্যেককে স্বতন্ত্রভাবে ছাঁচনির্মাণ এবং উত্পাদন করতে হবে। এটি একটি বিশাল শ্রম-নিবিড় প্রক্রিয়া – এত বেশি যে একদিনে কেবল ছয়টি প্যানেল তৈরি করা যায়। আরো জানা যায় যে প্যানেল কাঠামো এবং নকশা তৈরি করতে এবং কম্পিউটার-নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র সরঞ্জামগুলির অন্তর্ভুক্ত উত্পাদন প্রক্রিয়াগুলির প্রোটোটাইপ করতে মুখের সরবরাহকারী আফফানকে এক বছর সময় নিয়েছিল।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...