The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

জারেড কুশনার খাসোগিকে হত্যার সবুজ সংকেত দিয়েছিলেন!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টা ও জামাতা জারেড কুশনার

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এবার আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলোর খবরে বিশ্ব থমকে গেছে। কারণ এক তথ্যে উঠে এসেছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টা ও জামাতা জারেড কুশনার সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যার সবুজ সংকেত দিয়েছিলেন!

জারেড কুশনার খাসোগিকে হত্যার সবুজ সংকেত দিয়েছিলেন! 1

এবার আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলোর খবরে বিশ্ব থমকে গেছে। কারণ এক তথ্যে উঠে এসেছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টা ও জামাতা জারেড কুশনার সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যার সবুজ সংকেত দিয়েছিলেন!

এমন একটি খবর সবাইকে যেনো চমকে দিয়েছে। সৌদি আরবের রাজপরিবারের কঠোর সমালোচক প্রখ্যাত সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যার জন্য সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানকে নাকি সবুজ সংকেত দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টা ও জামাতা জারেড কুশনার!

মুহাম্মদ বিন সালমান হচ্ছেন সৌদি আরবের কার্যত শাসক এবং জারেড কুশনারের ঘনিষ্ঠ বন্ধুও। এই খবর দিয়েছে ব্রিটিশ সাপ্তাহিক দ্য স্পেক্টেটরের।

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের তদন্ত কমিটি এই বিষয়টি আরও গভীরে গিয়ে তদন্ত করবে বলে পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

সৌদি আরবের রাজপরিবারের একসময়কার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ জামাল খাসোগি গত বছরের ২ অক্টোবর তুরস্কের সৌদি কনস্যুলেট ভবনে জরুরি কিছু কাগজপত্র আনতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন এবং মুহাম্মদ বিন সালমানের অনুগত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা জামাল খাসোগিকে হত্যা করে। পরে তার মরদেহ গুম করে ফেলা হয়।

মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের খ্যাতনামা কলামিস্ট জামাল খাসোগি বর্তমান মুহাম্মদ বিন সালমানের ক্ষমতাসীন সৌদি সরকারের নানাবিধ অন্যায় ও ভুল নীতির কঠোর সমালোচনা করে আসতেন।

গত বছর ২ অক্টোবর সাংবাদিক জামাল খশোগী হত্যাকাণ্ড ঘটনার পর মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্ট গত বছরের নভেম্বর মাসে জানিয়েছিল যে, মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ তাদের তল্লাশির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে, যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশেই খাসোগিকে হত্যা করা হয়। বিষয়টি নিয়ে সারা বিশ্ব সমালোচনায় মেতে উঠলেও মুহাম্মদ বিন সালমান নিজেও কখনও সেটি শিকার করেননি এমন কি বার বার সেটি অস্বীকার করে আসছেন মুহাম্মদ বিন সালমান।

জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিটিও বলে, খাসোগি হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন ব্যক্তিই হচ্ছেন সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান।

এই সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যার পর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরে তুরস্ক সরকার।

Loading...