The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

২০ হাজারের কম পকেট মারেন না- এমন এক বিলাসী পকেটমারের গল্প!

নতে সত্যিই কেমন যেনো লাগে। তবে কেমন লাগলেও ঘটনাটি সত্যি

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এমন ভোগ বিলাসী ব্যক্তি আবার করে পকেটমারের কাজ! শুনতে সত্যিই কেমন যেনো লাগে। তবে কেমন লাগলেও ঘটনাটি সত্যি। ভারতের এমন একটি উদ্ভট পকেট মারের গল্প উঠে এসেছে সম্প্রতি!

২০ হাজারের কম পকেট মারেন না- এমন এক বিলাসী পকেটমারের গল্প! 1

এমন ভোগ বিলাসী ব্যক্তি আবার করে পকেটমারের কাজ! শুনতে সত্যিই কেমন যেনো লাগে। তবে কেমন লাগলেও ঘটনাটি সত্যি। ভারতের এমন একটি উদ্ভট পকেট মারের গল্প উঠে এসেছে সম্প্রতি!

যে কেও ভাবতেই পারেন এমন আবার পকেট মার হয় নাকি! যে কিনা ২০ হাজার টাকার কম পকেট মারেন না! অর্থাৎ উচ্চ বংশের খানদানি পকেট মার বলা যায়। তবে ভারতের ওই ব্যক্তি অর্থাৎ ওই পকেট মার সম্প্রতি ধরা পড়েছে। আর ধরা পড়ার পরই উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য!

সম্প্রতি ওই পকেটমারকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। তিনি দিনে অন্ততপক্ষে ২০ হাজার টাকা পকেট মারেন। এই কাজ করতে অস্ত্র হিসেবে তিনি ব্যবহার করতেন মাত্র একটা সেভিং ব্লেড। পুলিশ ভারতের হায়দরাবাদের সেকেন্দরাবাদ হতে তাকে গ্রেফতার করেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৩ বছর বয়সী ওই পকেটমারের নাম হলো থানেদার সিংহ কুশওয়াহা। ওই পকেট মারের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ২৭ লাখ টাকা মূল্যের সোনার গয়না। তার সঙ্গে ছিল নগদ ১৩ লাখ টাকাও।

এই বিষয়ে জিআরপি’র এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০ হাজার টাকার কমে কখনও পকেট মারেন না কুশওয়াহা। বছরের পর বছর এমন কাজ করে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি করেছেন তিনি। থাকেন তেলঙ্গানার চন্দ্রনগরের মতো অভিজাত এলাকাতে। প্রতি মাসে তাকে বাড়ি ভাড়াই গুণতে হয় ৩০ হাজার টাকা। তিনি দুই সন্তানকে পড়ান আন্তর্জাতিক একটি স্কুলে। তাদের পেছনে বছরে খরচ হয় দুই লাখ টাকার উপরে।

এই বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তা বি অনুরাধা জানিয়েছেন, উত্তর প্রদেশের আলিগড়ের বাসিন্দা কুশওয়াহা ২০০৪ সাল হতে ট্রেনে ট্রেনে পকেট মারার কাজ করে বেড়াচ্ছেন। এই কুশওয়াহা এক সময় পাক জঙ্গি আজমল কসাভের সঙ্গেও ইয়েরওয়াড়া জেলে বন্দি ছিলেন। পুলিশ কর্মকর্তা বি অনুরাধা বলেন, ‘লোকাল ট্রেনে নয়, রীতিমতো ছক কষেই টিকিট কেটে দূরপাল্লার ট্রেনে উঠে পড়তেন কুশওয়াহা। প্রতি মাসে এই রকম ৮টি ট্রিপে বেরোতেন। তবে প্রতি ট্রিপ থেকেই যাতে কমপক্ষে হাজার কুড়ি টাকার জিনিসপত্র আসে সেদিকে তার খেয়াল থাকতো সব সময়।

বর্তমানে কুশওয়াহার বিরুদ্ধে ৪০০ এর বেশি অপরাধের মামলা ঝুলছে। ২০০৭ এবং ২০১১ সালে একবার পুলিশের জালে ধরাও পড়েন তিনি। তবে ২০১৫ সালের পর আর কখনও ধরা যায়নি তাকে। পকেট মারা ছাড়া ক্রিকেট বেটিং এবং সাট্টা বাজারেও এই কারবার করেন কুশওয়াহা।’

কুশওয়াহা সম্পর্কে পুলিশ জানিয়েছে, সম্প্রতি সেকেন্দরাবাদে একটি উড়ালপুলের কাছে কুশওয়াহা এবং তার সঙ্গী অরুণের মোটকসাইকেলটি অনেকক্ষণ রাখা ছিল। বাইকের কাছে ফিরেই পুলিশকর্মীদের দেখেই পালাতে শুরু করেন তারা। তাদের ধাওয়া করে জিআরপি পুলিশ। পুলিশের নজর এড়িয়ে অরুণ পালাতে সক্ষম হলেও কুশওয়াহাকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয় পুলিশ।

Loading...