The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

যে শহরটি ‘মৃতের শহর’ নামে পরিচিত!

এমন একটি শহর রয়েছে রাশিয়াতে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এমন একটি শহর যে শহরকে বলা হয় ‘মৃতের শহর’! এমন একটি শহর রয়েছে রাশিয়াতে। সেখানকার দুর্গম দারগাভস গ্রামকে বলা হয় ‘মৃতের শহর’। এই গ্রামের কাছে বেশ কিছু মধ্যযুগীয় সমাধি বিদ্যমান। প্রাচীন এই সমাধিস্থলেই রয়েছে ঢালু ছাদের ৯৯টি সমাধিঘর। প্রতিটি সমাধি ঘরে রয়েছে একটি করে জানালা। আর প্রতিটি ঘরেই শতাধিক মরদেহ। কিছু মরদেহ ভালোভাবে সংরক্ষিত করা হয়েছে।

যে শহরটি ‘মৃতের শহর’ নামে পরিচিত! 1

এমন একটি শহর যে শহরকে বলা হয় ‘মৃতের শহর’! এমন একটি শহর রয়েছে রাশিয়াতে। সেখানকার দুর্গম দারগাভস গ্রামকে বলা হয় ‘মৃতের শহর’। এই গ্রামের কাছে বেশ কিছু মধ্যযুগীয় সমাধি বিদ্যমান। প্রাচীন এই সমাধিস্থলেই রয়েছে ঢালু ছাদের ৯৯টি সমাধিঘর। প্রতিটি সমাধি ঘরে রয়েছে একটি করে জানালা। আর প্রতিটি ঘরেই শতাধিক মরদেহ। কিছু মরদেহ ভালোভাবে সংরক্ষিত করা হয়েছে।

জর্জিয়া সীমান্তের পরই অবস্থিত রহস্যময় এই সমাধিস্থল কবে কিভাবে নির্মিত, বিষয়টি এখনও ধারণামাত্র। তবে ইতিহাসবিদরা ক্রমেই এর রহস্য উন্মোচন করছেন।

ষোড়শ শতাব্দীতে রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের দুর্গম কৃষিজমি সমাধিক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। একটি তথ্যে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ শতাব্দীতে মোঙ্গল ও তাতারদের (তুর্কি জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতি হিসেবে খ্যাত) আক্রমণে যখন অঞ্চলটি বিপন্ন হয়ে পড়ে, ঠিক তখন ককেশাস পর্বতমালার ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ উপত্যকায় বসবাসকারী স্থানীয় লোকজন সমতল হতে উঁচুতে মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য একই রকম স্থাপনা তৈরি করেছিলেন।

আরেকটি তথ্য হতে জানা যায়, দক্ষিণ রাশিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করা অভিবাসী সারমেশিয়ানদের দ্বারা ইন্দো-ইরানি ঐতিহ্যে এই মৃত্যুর শহর নাকি নির্মিত হয়েছিল।

এই অঞ্চলের আরেকটি ইতিহাসের সঙ্গে মৃতের শহরের গল্পের যোগসূত্রও থাকতে পারে। আর তা হলো, সপ্তদশ এবং অষ্টাদশ শতাব্দীতে এই অঞ্চলে প্লেগ মহামারি আকারে দেখা দিয়েছিলো। তখন সংক্রমণ থেকে বাঁচতে প্লেগ-আক্রান্ত লোকজনকে ওই ঘরে নিয়ে রাখা হতো বলে মনে করা হয়।

সংরক্ষিত মধ্যযুগীয় এই স্থাপনা দেখতে বহু দর্শনার্থী ১ দশমিক ৫ হেক্টরের এই কবরস্থানে এসে থাকেন। ইতিহাসবিদ লুইডমিলা গ্যাবোভা মনে করেন, হয়তো অন্য কোনো কারণে দর্শনার্থীরা এখানে আসেন। তিনি বলেন, ‘দর্শনার্থীরা এই জায়গার সৌন্দর্যেও বিস্মিত হন। তারা মৃত্যুর চিরন্তন ভয়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রশান্তির আমেজও অনুভব করেন এখানে এসে।’

Loading...