The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

১৭ হাজার কোটি টাকার মালিক বিশ্বের ধনী নাপিতের গল্প!

ভারতে ধনীদের তালিকায় তার অবস্থান ৬৮তম স্থানে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সত্যিই সৃষ্টিকর্তা কখন কার ভাগ্য ফেরান তা বলা যায় না। আর তাই সাধারণ একজন ছাপোশা নাপিত থেকে হয়ে উঠেছেন কোটিপতি। তাও এক দুই টাকা নন, ১৭ হাজার কোটি টাকার মালিক!

১৭ হাজার কোটি টাকার মালিক বিশ্বের ধনী নাপিতের গল্প! 1

এই কোটিপতির নাম রমেশ বাবু। তিনি বিশ্বের সেরা ধনী নাপিত। ভারতে ধনীদের তালিকায় তার অবস্থান ৬৮তম স্থানে। দরিদ্র রমেশ প্রতিভা ও সঠিক সিদ্ধান্তের কারণে দরিদ্র হতে কোটিপতি হয়ে জীবন পার করছেন। বর্তমানে দুই বিলিয়ন ইউএস ডলারের মালিক রমেশ। যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার মতো! তার রয়েছে ৩৭৮ দামি গাড়ি।

যারমধ্যে তার রয়েছে ১২০টি বিলাসবহুল গাড়ি। সেই রমেশ বাবুর জিরো হতে হিরো হওয়ার সাফল্যের গল্প তুলে ধরা হবে। ১৯৭৪ সালে ভারতের বেঙ্গালুরে এক সেলুন ব্যবসায়ীর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন রমেশ বাবু। মাত্র ৭ বছর বয়সে বাবাকে হারিয়ে আর্থিক অভাবে পড়েন ছোট্ট রমেশ। বয়স কম থাকার কারণে বাবার সেলুন ব্যবসায় হাত ধরার সক্ষমতাও ছিল না তার। বাবার সেলুনের দোকানটি মাসিক ৫ টাকায় এক চাচার কাছে ভাড়া দেন তার মা।

তবে আর্থিক সংকট তাদের পিছু ছাড়ছিলো না। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়েই নন্দিনী নামের একজনের বাড়িতে কাজে যান রমেশের দরিদ্র মা। দরিদ্র রমেশ ক্যারিয়ারের শুরুতে পত্রিকা এবং দুধ বিক্রির মাধ্যমে প্রতি মাসে ১০০ রুপি আয় করতেন। সেইসঙ্গে চালিয়ে যান লেখাপড়াও। রমেশ যখন ইন্টারমিডিয়েটে উঠেন, তখন তিনি চূড়ান্ত পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। তার পরও হাল ছাড়েননি রমেশ। পরে ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারে ডিপ্লোমা করেন রমেশ। মনে একটা টার্গেট ছিল, বড় কিছু করে পরিবারের অভাব চিরতরে দূর করার। তবে রমেশ ১৮ বছর বয়সেই বাবার সেলুন ব্যবসার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে ব্যবসায় মন দেন।

শিক্ষিত রমেশ অল্প সময়েই ভালো ব্যবহার এবং তরুণদের হেয়ার স্টাইলিস্ট হিসেবে পরিণত হন। সকাল ৬টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ব্যস্ত থাকতেন তিনি। টানা ৪ বছরের পরিশ্রমে মোটা অংকের টাকা জমান তিনি। তাই ১৯৯৩ সালে শখের বশে ব্যাংক লোনের মাধ্যমে মারুতি ওমনি নামের একটি মাইক্রোবাস কেনেন তিনি। মূলত সেখানেই তার সফলতার বীজ লুকিয়ে ছিল।

রমেশ বাবু বলেন, নিজের ব্যবহারের জন্যই মাইক্রোবাসটি কিনেছিলাম। সেই সঙ্গে সেলুন ব্যবসাও পরিচালনা করতাম। তবে ব্যাংক লোনের টাকা ঠিকমতো পরিশোধ করতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছিলাম। এক পর্যায়ে আমার দুই মাসের লোনের টাকা জমা পড়ে যায়। তখন নন্দিনী নামের ভদ্রমহিলা গাড়িটি ভাড়া দেওয়ার পরামর্শ দিলেন। এতে রেন্ট-এ কারের ব্যবসার ধারণা আবিষ্কার করে ফেলি আমি। তারপর মাইক্রোবাসটি ভাড়া দেওয়া শুরু করি। মাঝে মাঝে নিজেও আমি যাত্রীদের সেবা দেই। সঙ্গে নিজের সেলুন ব্যবসাটিও চালু রাখি আমি।

সেলুন ব্যবসার পরিচিতি থেকে রেন্ট-এ কারের ব্যবসা জমজমাট হয়ে যায়। ধীরে ধীরে একের পর এক ব্যবসায় গাড়ি সংযুক্ত করতে থাকি। আমার রেন্ট-এ কারের ব্যবসায় মি ব্যাক, লিমুজিন, মার্সিডিজ, বেন্ট্রি, বিএমডাব্লিউ-এর মতো গাড়িও রয়েছে। ২০১১ সালে আমি রোল রয়েলস গাড়ি যুক্ত করি। বর্তমানে রেন্ট-এ কার কোম্পানি থেকে ৫০ হাজার রুপির বিনিময়ে একদিনের জন্য রোল রয়েলস ভাড়া দিয়ে থাকি। বাকিগুলোও নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থে ভাড়া দিচ্ছি। এছাড়াও ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করি আমি।

রমেশ আরো বলেন, আমি এতো টাকার মালিক হওয়া সত্ত্বেও সেলুন ব্যবসা আমি চালু রেখেছি। মাত্র ১৫০ রুপিতে এখনও আমার কাছে চুল কাটতে পারবেন। তবে সব সময় হয়তো পাবেন না। কারণ হলো আমি শখের বশে চুল কাটছি।

রমেশ বলেন, লক্ষ্য স্থীর থাকলে জীবনে সাফল্য পাওয়া খুবই সহজ। স্থীর লক্ষ্য করে কঠোর সাধনা করলেই সাফল্য হাতের মুঠোয় চলে আসে তাতে সন্দেহ নেই।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx