The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ভ্রমণ: ফেনীর রাজাঝির দীঘি ঘুরে আসুন

কিছু কিছু স্থানে বেড়াতে গেলে বেড়ানোও হয় আবার ইতিহাস ঐতিহ্য সম্পর্কেও অনেক কিছুই জানা যায়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ঘুরতে যাওয়ার অনেক জায়গা রয়েছে। তবে কিছু কিছু স্থানে বেড়াতে গেলে বেড়ানোও হয় আবার ইতিহাস ঐতিহ্য সম্পর্কেও অনেক কিছুই জানা যায়। তাই ফেনীর রাজাঝির দীঘি ঘুরে আসুন। কারণ ঘুরতে গেলে অনেক কিছু শেখা যায়, অনেক কিছু দেখা যায়। এক কথায় অনেক জ্ঞান অর্জন হয়।

ভ্রমণ: ফেনীর রাজাঝির দীঘি ঘুরে আসুন 1

ঘুরতে যাওয়ার অনেক জায়গা রয়েছে। তবে কিছু কিছু স্থানে বেড়াতে গেলে বেড়ানোও হয় আবার ইতিহাস ঐতিহ্য সম্পর্কেও অনেক কিছুই জানা যায়। তাই ফেনীর রাজাঝির দীঘি ঘুরে আসুন। কারণ ঘুরতে গেলে অনেক কিছু শেখা যায়, অনেক কিছু দেখা যায়। এক কথায় অনেক জ্ঞান অর্জন হয়।

ফেনী জেলা শহরের জিরো পয়েন্টে ঐতিহাসিক রাজাঝির দীঘি অবস্থিত। প্রচলিত রয়েছে যে, প্রায় ৭শত বছর পূর্বে ত্রিপুরা রাজ্যের এক প্রভাবশালী রাজা কন্যার অন্ধত্ব দূরীকরণের উদ্দেশ্যে এই দীঘি খনন করেছিলেন। ফেনী অঞ্চলের মানুষ কন্যাকে আঞ্চলিক ভাষায় ঝি বলে থাকেন। যে কারণে দীঘিটি খননের পর থেকেই রাজাঝির দীঘি বা রাজনন্দিনীর দীঘি নামে পরিচিত হয়ে ওঠে।

এই রাজাঝির দীঘির মোট আয়তন হলো ১০.৩২ একর। ১৮৭৫ সালে ফেনী মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরই রাজাঝির দীঘির পাড়ে মহকুমার সদর দপ্তর গড়ে তোলা হয়। রাজাঝির দীঘিকে কেন্দ্র করে বর্তমানে ফেনী কোর্ট মসজিদ, অফিসার্স ক্লাব, ফেনী সদর থানা, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, শিশু পার্ক সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও গড়ে উঠেছে। এছাড়াও দীঘির চারদিকে বেশকিছু পাকা ঘাট, বসার স্থান ও হাটা চলা করার জন্য সুন্দর ওয়াক-ওয়েও নির্মাণ করা হয়েছে।

যাবেন কিভাবে

রাজধানী ঢাকা হতে চট্টগ্রামগামী যেকোন পরিবহণের বাসে ফেনীর মহিপাল যাওয়া যাবে। মহিপাল বাস ষ্ট্যান্ড হতে রিকশা কিংবা সিএনজি ভাড়া করে রাজাঝির দীঘি পৌঁছাতে পারবেন। এছাড়াও চট্টগ্রামগামী ট্রেনে ফেনী রেলওয়ে ষ্টেশনে এসে একইভাবে রাজাঝির দীঘি দেখতে যেতে পারবেন রাজাঝির দীঘি। সেক্ষেত্রে আপনাকে কমলাপুর রেল স্টেশন কিংবা এয়ারপোর্ট রেলওয়ে স্টেশন হতে ট্রেনে উঠতে হবে।

থাকবেন কোথায়

ফেনী জেলা শহরে অবস্থিত আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে বেস্ট ইন হোটেল, হোটেল গাজী ইন্টরন্যাশনাল ও হোটেল মিড নাইট অন্যতম আবাসিক হোটেল। এছাড়াও অনুমতি সাপেক্ষে ফেনী সার্কিট হাউস, ফেনী জেলা পরিষদ ডাক বাংলো, এলজিইডি রেস্ট হাউস, পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেস্ট হাউস ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির রেস্ট হাউসেও রাত্রিযাপন করতে পারবেন ইচ্ছে করলে।

তথ্যসূত্র: https://vromonguide.com

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...