The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ভ্রমণ: ঘুরে আসুন ফেনীর দাগনভূঞার প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ঘুরতে গেলে ঐতিহাসিক স্থানেই যাওয়া উচিত। তাহলে ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করা যায়। তাই ঘুরে আসুন ফেনীর দাগনভূঞার প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি।

ভ্রমণ: ঘুরে আসুন ফেনীর দাগনভূঞার প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি 1

ঘুরতে গেলে ঐতিহাসিক স্থানেই যাওয়া উচিত। তাহলে ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করা যায়। তাই ঘুরে আসুন ফেনীর দাগনভূঞার প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি।

প্রতাপপুর জমিদার বাড়িটি ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার পূর্বচন্দ্রপুর ইউনিয়নের প্রতাপপুর গ্রামে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক বাড়ি। তৎকালীন সময় অত্র অঞ্চলে প্রতাপপুর জমিদারদের অবস্থান ছিল সকলের শীর্ষে।

বিভিন্ন সূত্র হতে জানা যায়, ১৮৫০ মতান্তরে ১৮৬০ সালে জমিদার রাজকৃঞ্চ সাহা ৮০০ শতক জমির উপর দৃষ্টিনন্দন এই জমিদার বাড়িটি নির্মাণ করেন। জমিদার রাজকৃঞ্চ সাহার ৫ সন্তান থাকতেন ৫টি দ্বিতল ভবনে। এই জমিদার বাড়িতেই রয়েছে মোট ১৩টি মাছ চাষেড় পুকুর, বাড়ির বউদের জন্য ৫টি পুকুরে রয়েছে শানবাঁধানো ঘাটও। সেই সময় আশেপাশের অঞ্চলের জমিদাররা সফর বিরতিতে প্রতাপপুর জমিদার বাড়িতে অবস্থান করতেন। এই বাড়ি থেকেই অত্র এলাকার শাসনকার্য পরিচালনা করা হতো বলে ইতিহাস সূত্রে জানা যায়।

প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি প্রতাপপুর গ্রাম এবং এর আশেপাশের এলাকায় রাজবাড়ি, বড় বাড়ি ইত্যাদি বিভিন্ন নামেও পরিচিত। প্রতি বছর বৈশাখ মাসে সনাতন ধর্মালম্বীরা এই জমিদার বাড়িতে তিন দিন ব্যাপী উৎসব পালন করে থাকেন। জমিদার বাড়ির পাশেই রয়েছে জমিদারদের তৈরি প্রতাপপুর উচ্চ বিদ্যালয়।

যাবেন কিভাবে

ঢাকা থেকে ট্রেনে করে ফেনী আসলে রেলওয়ে ষ্টেশনের সামনে পাওয়া যাবে ইজিবাইক, সিএনজি কিংবা শহর বাস সার্ভিসে করে মহিপাল বাস স্ট্যান্ড চলে আসুন। ঢাকা হতে বাসে ফেনী আসলে সরাসরি মহিপালে নামতে পারবেন। মহিপাল বাস স্ট্যান্ড হতে নোয়াখালীগামী সুগন্ধা কিং বাসে ২০-২৫ টাকা ভাড়ায় সেবারহাট বাজারে চলে যেতে হবে। নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত সেবারহাট বাজারে নেমে প্রতাপপুর বাজার যাওয়ার জন্য সিএনজি পাওয়া যাবে। প্রতাপপুর বাজারের ঠিক পাশেই প্রতাপপুর জমিদার বাড়ির অবস্থান।

থাকবেন কোথায়

ফেনীর আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল গাজী ইন্টরন্যাশনাল ও হোটেল মিড নাইট অন্যতম আবাসিক হোটেল। এছাড়াও অনুমতি নিয়ে এলজিইডি রেস্ট হাউস, পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেস্ট হাউস, জেলা পরিষদ ডাক বাংলো এবং পল্লী বিদ্যু সমিতির রেস্ট হাউসেও রাত্রিযাপন করতে পারবেন ইচ্ছে করলে।

তথ্যসূত্র: https://vromonguide.com

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...