The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

নির্জীব-নিস্তব্ধ চারিদিক: অচেনা এক মক্কা নগরী

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ যে নগরীতে কখনও মানুষের কমতি হয়নি, লাখ লাখ মানুষের পদচারণায় যে শহর সব সময় ব্যস্ত থাকতো, আল্লাহর নামে প্রকম্পিত হতো যে ভূমি- সবকিছুই বদলে গেছে। দিনের ২৪ ঘণ্টা যেখানে মানুষের মুখে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ উচ্চারিত হতে থাকতো- তা যেনো থমকে গেছে। চিরচেনা মক্কা এখন একেবারে নির্জীব।

নির্জীব-নিস্তব্ধ চারিদিক: অচেনা এক মক্কা নগরী 1

যে নগরীতে কখনও মানুষের কমতি হয়নি, লাখ লাখ মানুষের পদচারণায় যে শহর সব সময় ব্যস্ত থাকতো, আল্লাহর নামে প্রকম্পিত হতো যে ভূমি- সবকিছুই বদলে গেছে। দিনের ২৪ ঘণ্টা যেখানে মানুষের মুখে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ উচ্চারিত হতে থাকতো- তা যেনো থমকে গেছে। চিরচেনা মক্কা এখন একেবারে নির্জীব।

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে পবিত্র মক্কা শহরকে এখন যেনো চেনার কোনো উপায় নেই। মহামারী ভাইরাসটির কারণে ইতিমধ্যেই অবরুদ্ধ করা হয়েছে মক্কা-মদিনা। মূলত গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে দেশটির লাখ লাখ মানুষ। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মক্কার আবাসিক হোটেল, আবাসন, শপিং মল, বিপণি বিতান, , রেস্টুরেন্ট, সেলুন, ফাস্ট ফুড এবং প্লাজাগুলো। সবচেয়ে বড় কথা হলো মসজিদুল হারামের কাবা ঘরও দেখতে পারছেন না কেও।

সর্বত্রই সুনশান নীরবতা। মক্কার মিসফালায় কাবা ঘরের চারপাশের রাস্তায় কেও নেই। যতদূর চোখ যায় সবদিকে ফাঁকা, দেখলে অবিশ্বাস্য মনে হবে।

মহামারী যে মানুষের মানবিক ধর্ম ও সহানুভূতিকে হত্যা করে, মনে হলেই ভয় হয়। পৃথিবীর ইতিহাসে ভয়াবহ মহামারিগুলো মানব সভ্যতার বুকে অনেক ক্ষত রেখে গেছে।

সৌদি আরবের গণস্বাস্থ্য বিভাগের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো দিন-রাত নাগরিকদের সেবার জন্য কাজ করে চলেছে। বিভিন্ন শহরেও হটলাইন চালু করেছে দেশটির সরকার।

আগাম ওমরাহ হজ, অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ, মসজিদুল হারাম এবং মদিনায় মসজিদে নববী ছাড়া সব মসজিদে নামাজ আদায়ের উপর নিষেধাজ্ঞা ও সর্বশেষ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ১৫ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সৌদি সরকার এবং মন্ত্রিপরিষদের যথাযথ সিদ্ধান্তে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ফ্লাইট যোগাযোগও বন্ধ রয়েছে।

সৌদি আরব সরকারের এসব কর্মসূচি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নানা রকম কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে দেশটিতে ব্যাপকভাবে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। যদিও দেশটিতে বসবাসকারী প্রায় ২০ লাখ বাংলাদেশী আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বাসা হতে অনেকেই বের হচ্ছেন না। প্রয়োজনীয় কেনাকাটার জন্য বের হলে মাস্ক ও হ্যাণ্ড গ্লাভস ব্যবহার করছেন সবাই।

Loading...