The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

বাংলাদেশে করোনার ওষুধ রেমডেসিভির মিলবে ১৮ মে

ইতিমধ্যেই দেশের ৬টি কোম্পানিকে এই ওষুধ তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়েছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বেশ কিছু দিন আগেই করোনার চিকিৎসায় এন্টি ভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভির চলতি সপ্তাহে পাওয়া যাবে বলে জানান ওষুধটি প্রস্তুতকারক কোম্পানি গিলিয়েড সায়েন্সেসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডেন ওডে। আগামী ১৮ মে থেকে বাংলাদেশেও পাওয়া যাবে এই ওষুধটি।

বাংলাদেশে করোনার ওষুধ রেমডেসিভির মিলবে ১৮ মে 1

ওষুধটি প্রস্তুতকারক কোম্পানি গিলিয়েড সায়েন্সেসের সে ঘোষণা কার্যকর হয়েছে। গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ফুড অ্যান্ড ড্রা’গ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ওষুধটি করোনা চিকিৎসায় জরুরি ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য অনুমতিও দিয়েছে।

নতুন সুখবর হলো- বাংলাদেশেও মিলবে এই ওষুধ। ইতিমধ্যেই দেশের ৬টি কোম্পানিকে এই ওষুধ তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দেশের এসকে-এফ কোম্পানি আগামী ১৮ মের মধ্যে এই ওষুধ বাজারে আনতে চলেছে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) সূত্র এমনটিই জানিয়েছে।

জানতে চাইলে ডিজিডিএ পরিচালক মো. রুহুল আমিন সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আমাদের দেশে ৬ প্রতিষ্ঠানকে রেমডেসিভির তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে; এর মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠান উৎপাদন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। একটি হচ্ছে এসকে-এফ ফার্মাসিটিকলস এবং আরেকটি বেক্সিমকো ফার্মাসিটিউকলস লি:। এর মধ্যে এসকে-এফ অনেকটা এগিয়েও গেছে, তাদের ওষুধ আগামী ১৮ মের মধ্যে বাজারজাত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, যেসব কোম্পানি রেমডেসিভির উৎপাদন করবে তারা এর গুণগতমান নিশ্চিত করেই করবে। কোম্পানিগুলো ওষুধের স্যাম্পল আমাদের কাছে জমাও দেবে। আমরা সেই স্যাম্পল আমাদের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে এর মান যাচাই করবো।

জানা যায়, দেশের মোট ৬টি কোম্পানি ওষুধটি তৈরিতে অনুমোদন পেয়েছে। এগুলো হলো বিকন, এসকে-এফ, বেক্সিমকো, স্কয়ার হেলথকেয়ার ও ইনসেপটা। এর মধ্যে এসকে-এফ কোম্পানি আগামী ১৮ মে ওষুধটি বাজারে আনবে।

জানা গেছে, চলতি মাসের মধ্যেই দেশের দুই প্রস্তুতকারক কোম্পানি ও জুনের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে বাকি ৪টি কোম্পানি তাদের উৎপাদিত রেমডেসিভির বাজারে আনতে চলেছে।

জানা গেছে যে, অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহার করা হচ্ছে। রেমডেসিভিরের আগে এই ওষুধটিকেই করোনা চিকিৎসায় সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ওষুধ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। যদিও এটির কার্যকারিতা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তবুও বাংলাদেশি কয়েকটি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন, রেমডেসিভিরসহ বিভিন্ন দেশে করোনার চিকিৎসায় ব্যবহৃত সম্ভাবনাময় কয়েকটি ওষুধ উৎপাদনে আগ্রহী হয়ে ডিজিডিএর কাছে আবেদনও করে। এর পরই ডিজিডিএ থেকে রেমডেসিভিরসহ ৫টি ওষুধ উৎপাদনের জন্য কোম্পানিগুলোকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়েছে।

মূলত করোনা ভাইরাস চিকিৎসার জন্য এখনও কোনো ওষুধ অনুমোদিত নয়৷ এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কোভিড-১৯ এর সম্ভাব্য চিকিৎসায় এফডিএ অনুমোদিত ম্যালেরিয়া ওষুধ হাইড্রোক্সাইক্লোরোকুইনকে জরুরী ব্যবহারের অনুমোদন দেয়। তবে কোনো বড় পরীক্ষায় ওষুধটির কাজ করছে কিনা, তা দেখা হয়নি৷ যদিও ট্রাম্প প্রশাসন ভারত থেকে প্রচুর পরিমাণে হাইড্রোক্সাইক্লোরোকুইন আমদানি করেছে৷

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx