The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

সেন্সর শরীরে নিলেই জানা যাবে করোনা আক্রান্ত কিনা

এমন একটি ডিভাইস ও সেন্সর প্রয়োজন যা মানুষকে পরীক্ষা করে তাত্‍ক্ষণিকভাবে লক্ষণগুলো সম্পর্কে জানিয়ে দেবে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ খুব সহজ একটি টেস্ট। সেন্সর শরীরে নিলেই জানা যাবে করোনা আক্রান্ত কিনা। করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহসহ নানা জটিলতার মধ্যে এমন একটি খবর নি:সন্দেহে ভালো খবর।

সেন্সর শরীরে নিলেই জানা যাবে করোনা আক্রান্ত কিনা 1

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণগুলো অনেকের মধ্যে দেরিতে দেখা যায়। যে কারণে ওই ব্যক্তি আরও মানুষকে সংক্রমিত করে দেয় এই সময়ের মধ্যেই।

এমন পরিস্থিতিতে একটি ডিভাইস ও সেন্সর প্রয়োজন যা মানুষকে পরীক্ষা করে তাত্‍ক্ষণিকভাবে লক্ষণগুলো সম্পর্কে জানিয়ে দেবে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি ও শিরলে রায়ান অ্যাবিলিটি ল্যাব এমন একটি বিশেষ স্টিকার তৈরি করেছে। যা দেখতে অনেকটা ব্যান্ডেড এর মতোই। এই স্টিকারটি খুব সহজেই গলায় আটকে দেওয়া যায়। এতে অনেক সেন্সরও রয়েছে। যাকে বলা হচ্ছে করোনা সেন্সর।

করোনা সেন্সরটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে করে এটি কফ, শ্বাসের গতি, কম্পনের উপর ভিত্তি করে করোনা লক্ষণগুলো সম্পর্কে খুব সহজেই জানাতে পারে।

নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির প্রফেসর জন রজার এই বিষয়ে বলেছেন, গোপনীয়তা কথা মাথায় রেখেই এই স্টিকারটিতে মাইক্রোফোন ব্যবহারই করা হয়নি।

এতে ব্যবহার করা হয়েছে হাই ব্যান্ডউইথ ও ট্রাই এক্সিস এক্সিলারোমিটার। যাতে করে শ্বাস প্রশ্বাসের ধরণকে ট্র্যাক করা সম্ভব হয়। এই সেন্সরটি হার্ট রেট ও দেহের তাপমাত্রাও পরিমাপ করতে কাজ করবে।

এই করোনা সেন্সরে অক্সিজেন মিটার দেওয়া হয়নি। তবে রোগান বলেছেন যে, অক্সিজেন মিটারটি সেন্সরের পরবর্তী সংস্করণে সমর্থিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই করোনা সেন্সরটি এ পর্যন্ত ২৫ জনের উপর ব্যবহারও করা হয়েছে। সেন্সরটি একটি ওয়্যারলেস চার্জারের মাধ্যমে চার্জ করা যাবে ও ডেটাকে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সিঙ্কও করা যাবে।

এর সেন্সরে কোনও পোর্ট দেওয়া হয়নি। এতে করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর সমর্থনও রয়েছে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...