The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ভেনিজুয়েলার মানুষ ক্ষুধা মেটাতে ‘রক্তের’ স্যুপ খাচ্ছে!

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে বিশ্বের অনেক দেশের মতো ভেনেজুয়েলাতেও চলছে লকডাউন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে বিশ্বের অনেক দেশের মতো ভেনেজুয়েলাতেও চলছে লকডাউন। যে কারণে ক্ষুধার জ্বালা মেটাতে দেশটির অনেকেই গরুর ‘রক্ত’ খাচ্ছেন!

ভেনিজুয়েলার মানুষ ক্ষুধা মেটাতে ‘রক্তের’ স্যুপ খাচ্ছে! 1

ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সান ক্রিস্টোবালের কসাইখানায় চরম দরিদ্র মানুষরা লাইন ধরে দাঁড়িয়েছেন। বিনামূল্যে প্রোটিন সংগ্রহ করতে গবাদি পশুর রক্ত নিতে তারা এই লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন।

২০ বছর বয়সী মেকানিক আলেয়ার রোমেরো একটি মোটর গ্যারেজে চাকরি করতেন। সম্প্রতি করোনার কারণে তিনি তার চাকরিটি হারিয়েছেন। এখন সপ্তাহে অন্তত দুই বার রক্ত সংগ্রহ করতে কসাইখানায় যান এই যুবক।

সান ক্রিস্টোবাল কসাইখানাতে প্রতিদিন ৩০ হতে ৪০ জন মানুষ গবাদিপশুর রক্ত নিতে আসেন। অথচ করোনা মহামারির আগে এসব রক্ত ফেলে দেওয়া হতো।

ভেনেজুয়েলার ঐতিহ্যবাহী ‘পিচন’ সুপের একটি উপাদান হলো এই গরুর রক্ত। করোনার কারণে সৃষ্ট সংকটে ভেনেজুয়েলার প্রতিবেশী দেশ কলম্বিয়াতেও এই স্যুপ খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে বলে সংবাদ মাধ্যমের খবরে উল্লেখ করা হয়।

ভেনেজুয়েলানরা নিজেদের মাংসাশী জাতি হিসেবে গর্ব করে থাকেন। তবে বর্তমানে অভাবে পড়ে মাংসের বদলে রক্ত খেতে হচ্ছে বলে অনেকেই এতে খুশি নন। নিজেদের মাংসাশী জাতি হিসেবে মনে করলেও মাংসের দাম এখানে মোটেও কম নয়। ভেনেজুয়েলায় এক কেজি গরুর মাংসের দাম ন্যূনতম মজুরির প্রায় দ্বিগুণ। ৬ বছর ধরে দেশটির অর্থনীতি খুবই খারাপ অবস্থা। বর্তমানে করোনা মহামারির কারণে তা আরও খারাপ হয়েছে। সে জন্যই গরুর রক্ত খেয়ে জীবন ধারণ করছেন দেশটির অনেকেই।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...