The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

রেস্তোরাঁয় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতের অভিনব পন্থা

করোনার সংক্রমণ এড়াতে এখনকার মতো লকডাউন উঠে যাওয়ার পরও মেনে চলতে হচ্ছে অনেক বিধি নিষেধ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ধীরে ধীরে লকডাউন শিথিল করার চেষ্টা চলছে পুরো বিশ্বে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, লকডাউন তুললেও পৃথিবীতে স্বাভাবিক জীবন ফিরে আসতে সময় লাগবে আরও বহু দিন।

রেস্তোরাঁয় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতের অভিনব পন্থা 1

করোনার সংক্রমণ এড়াতে এখনকার মতো লকডাউন উঠে যাওয়ার পরও মেনে চলতে হচ্ছে অনেক বিধি নিষেধ। সেই সঙ্গে বজায় রাখতে হবে সামাজিক দুরত্ব। লকডাউনের পর রেস্তোরাঁগুলোতে কীভাবে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা যায় তার একটি অভিনব উপায় বের করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক রেস্তোরাঁ।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক খবর অনুযায়ী জানা যায়, দেশটির ভার্জিনিয়ায় অবস্থিত লিটল ওয়াশিংটন নামের ওই রেস্তোরাঁয় অতিথিদের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে ডামি বসানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। রেস্তোরাঁটির মালিক প্যাট্রিক ও’কনেল জানিয়েছেন, মে মাসের শেষে তারা তাদের খাবারের দোকানটি খোলার চিন্তা-ভাবনা করছেন।

তিনি আরও জানান, এমন এক পরিস্থিতিতে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে তারা রেস্তোয়াঁয় ব্যতিক্রমী পোশাক পরিহিত কিছু ডামি রাখছেন। তিনি বলেন, এমনভাবে ডামিগুলো সেট করা হয়েছে যাতে অতিথিদের পরষ্পরের সঙ্গে সামাজিক দুরত্ব বজায় থাকে। তিনি আরও বলেন, এতে রেস্তোরাঁয় অতিথিদের বসার জায়গা অর্ধেক হয়ে যাচ্ছে। তারপরও সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে এই পন্থা অবলম্বন করতে হচ্ছে।

প্যাট্রিকের ধারণা মতে, তাদের এই উদ্যোগের কারণে আসল অতিথিরা সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে বসার জন্য পর্যাপ্ত জায়গাও পাবেন। আবার সেই সঙ্গে মজাও পাবেন। সেইসঙ্গে ডামিগুলোর সঙ্গে মজার মজার সেলফিও তুলতে পারবেন।

রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন যে, করোনা বর্তমানে বৈশ্বিক যুদ্ধের মতোই। তাই ডামিগুলিতে ১৯৪০ দশকের যুদ্ধ পরবর্তী পরিবেশ ফুটিয়ে তুলতে তখনকার পোশাকআশাক ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে মুক্তার নেকলেস, চেকার্ড পোশাক, স্ট্রাইপযুক্ত স্যুট সহ নানা সামগ্রী। এছাড়াও নামি এই রেস্তোরাঁকে সাজাতে এর উপযোগী জিনিসপত্র ব্যবহার করা হয়েছে। প্যাট্রিক ও’কনেল জানিয়েছেন, রেস্তোরাঁটি সাজাতে স্থানীয় ব্যবসায়ীও তাদের অনেক সহযোগিতা করছেন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...