The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

করোনায় খাবার দিতে গিয়ে প্রেমে মজে ভিক্ষুক তরুণীকে বিয়ে!

ভারতের লখনৌর কানপুরে অসহায়দের খাবার দিতে গিয়ে প্রেম হয়ে যায় ভিক্ষুক তরুণীর সঙ্গে এক যুবকের

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ করোনা সংকটকালে মানবতার প্রতি হাত বাড়িয়েছেন অনেকেই। পাশে দাঁড়িয়ে অভয় যেমনিভাবে দিয়েছেন, ঠিক তেমনি জীবনসঙ্গীও করে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে!

করোনায় খাবার দিতে গিয়ে প্রেমে মজে ভিক্ষুক তরুণীকে বিয়ে! 1

ভারতের লখনৌর কানপুরে অসহায়দের খাবার দিতে গিয়ে প্রেম হয়ে যায় ভিক্ষুক তরুণীর সঙ্গে এক যুবকের। সেই প্রেমকে শেষ পর্যন্ত মূল্যায়ন হিসেবে জীবনসঙ্গী করে নিয়েছেন।

তাঁর বাবা-মা মারা যাওয়ার পর তরুণী নীলম থাকতেন দাদা-বউদির কাছেই। দাদা-বউদি অত্যাচার চালিয়ে তাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। তারপর বোনের খোঁজখবরও নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি তার দাদা। অসহায় নীলম বাধ্য হয়ে ভিক্ষাবৃত্তির পথ বেছে নেন। কাকাদেব এলাকায় ভিক্ষুকদের সঙ্গে বসেই খাবার খেতেন এই তরুণী।

ইতিমধ্যে দেশজুড়ে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। সংক্রমণ ঠেকাতে জারি হয় লকডাউন। যে কারণে নীলমের দুর্ভোগ আরও চরম আকার ধারণ করে। যেটুকু খাবারের বন্দোবস্ত হতো, তাও এবার বন্ধ হয়ে যায় তার। বেঁচে থাকাটাই কঠিন হয়ে যায় তখন নীলমের। এই ভয়ঙ্কর সময় শুরু হলো নীলমের জীবনের নতুন এক অধ্যায়।

এই সময় কানপুরের বাসিন্দা লালতা প্রসাদের সঙ্গে রাস্তায় পরিচয় ঘটে নীলমের। তিনি তার গাড়ির চালক অনিলকে বলেন, নীলমকে যেনো দৈনিক খাবার সরবরাহ করা হয়। এর পাশাপাশি আশপাশের অভাবী মানুষদেরও যেনো খাবার দেওয়া হয়।

সেই নির্দেশ মেনে ড্রাইভার অনিল প্রায় ৪৫ দিন ধরে নীলমসহ অন্যান্য ভিক্ষুকদের খাবার সরবরাহ করে আসছিল। এই আসা-যাওয়ার কারণে নীলমের সঙ্গে সম্পর্ক গাঢ় হতে শুরু হয় অনিলের।

এক পর্যায়ে এই সম্পর্কের খবর অনিলের বাবাও জানতে পারেন। তারপর তিনি নীলমের সঙ্গে দেখা করে তার ইচ্ছার কথা জানতে চেয়েছেন। নীলমের এই বিয়েতে মত রয়েছে জানতে পেরে তিনি আর দেরি করেননি। লকডাউনের মধ্যেই বিয়ে দেন অনিল-নীলমের।

এনডিটিভির এক খবরে বলা হয়, এমন ঘটনা রূপকথাকেও যেনো হার মানায়। অনিল-নীলমের দাম্পত্য জীবন যেনো পরম সুখের হয় এই কামনাই রইলো।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...