The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

‘প্রতি মিনিটে মৃত্যু’র মধ্যেই ডব্লিউএইচও ছাড়ার হুমকি দিলো ব্রাজিল!

যারাই এমন অবস্থানের সমালোচনা করছেন, তাদের কাওকেই ছেড়ে কথা বলছেন না ব্রাজিলিয়ান প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারো

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের চেয়ে লকডাউন বেশি ক্ষতিকর দাবি করে বরাবরই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন ব্রাজিলিয়ান প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারো।

‘প্রতি মিনিটে মৃত্যু’র মধ্যেই ডব্লিউএইচও ছাড়ার হুমকি দিলো ব্রাজিল! 1

যারাই এমন অবস্থানের সমালোচনা করছেন, তাদের কাওকেই ছেড়ে কথা বলছেন না ব্রাজিলিয়ান প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারো। এমনকি তাড়াহুড়ো করে লকডাউন তোলার সমালোচনা করায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারো।

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থাটির ধারণা মতে, বিশ্বে করোনা ভাইরাস মহামারির নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে লাতিন আমেরিকা। এর মধ্যে অবশ্যই সবার চেয়ে বেশি ভুগছে ব্রাজিল। দেশটিতে ইতিমধ্যেই ৬ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন, মৃতের সংখ্যাতেও ইতালিকে ছাড়িয়ে গেছে ব্রাজিল। বিশ্বের মধ্যে বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যায় দ্বিতীয় ও মৃত্যুর হিসাবে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিল।

সম্প্রতি ‘ফলহা ডি সাও পাওলো’ নামে স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয়তে লেখা হয় যে, ‘‘প্রেসিডেন্ট বোলসোনারো করোনা ভাইরাসকে ‘একটা সামান্য ফ্লু’ বলে মন্তব্য করার ১০০ দিনের মাথায় এটি এখন ‘প্রতি মিনিটে একজন’ ব্রাজিলিয়ানকে হত্যা করেছে। আপনি যখন এই লেখাটি পড়ছেন, তখনই আরও একজন করোনায় মারা গেলো।’’

গত বৃহস্পতিবার ব্রাজিলে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লাখের কোটা পেরিয়েছে। ওইদিন প্রাণ হারান ১ হাজার ৪৩৭ জন, যা ছিল টানা তৃতীয়দিনের মতো সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। শুক্রবার আরও ১ হাজার ৫ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছে ব্রাজিলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। যে কারণে সেখানে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজারেরও বেশি। বিশ্বের মধ্যে কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি।

শুধু ব্রাজিল নয়, মেক্সিকো, পেরু, চিলি, কলম্বিয়া, বলিভিয়াতেও ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে সংক্রমণ। ইতিমধ্যেই লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা ১১ লাখ ছাড়িয়েছে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...