The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

কিশোর কুমার ভক্ত ছিলেন বলেই মা ছেলের নামের শেষে কিশোর যোগ করেন

'প্রথম যেদিন বাবার মুখে শুনেছিলাম গান/সে দিন থেকে গানই জীবন, গানই আমার প্রাণ’

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এন্ড্রৃ কিশোর চলে গেছেন পরপারে। কিন্তু রেখে গেছেন তার দরাজ কণ্ঠের অনেক গান। এন্ড্রৃর মা কিশোর কুমারের ভক্ত ছিলেন। সে কারণে তার মা ছেলের নামের শেষে এন্ড্রুর সঙ্গে কিশোর যোগ করেন।

কিশোর কুমার ভক্ত ছিলেন বলেই মা ছেলের নামের শেষে কিশোর যোগ করেন 1

বাংলােদেশের মানুষের মুখে মুখে ফেরা সেই গানটির কথা সবার মনে আছে, ‘প্রথম যেদিন বাবার মুখে শুনেছিলাম গান/সে দিন থেকে গানই জীবন, গানই আমার প্রাণ’।

এন্ড্রৃ কিশোরের ‘নয়নের আলো’ সিনেমায় গাওয়া গানটি তার জীবনেরই যেনো এক প্রতিচ্ছবি। সব সময় গান নিয়েই থেকেছেন তিনি। তবে গানে বাবার কথা থাকলেও মূলত বাস্তবে তার মন্ত্রণাদাতা ছিলেন মা।

এক সাক্ষাৎকারে এন্ড্রু কিশোর নিজেই জানিয়েছিলেন যে, মা শিক্ষিকা মিনু বাড়ৈ জানতেন একদিন এন্ড্রু অনেক বড় মাপের শিল্পী হবেন। কিশোর কুমারের গান খুবই পছন্দ করতেন তার মা। তাই ছেলের নামের শেষে কিশোর যোগ করেছিলেন।

তিনি বাংলাদেশের গানের জগতের সূবর্ণ সময় যেমন দেখেছেন তেমনি দেখেছেন খরা। তবে তিনি কোনো কিছুতেই জড়াতেন না। নিজেকে পরিচয় দিতেন কণ্ঠশিল্পী হিসেবেই। গানই ছিল জীবন, গানেই তাকে দেখা যেতো এক প্রাণবন্ত।

নিজের বিষয়ে বলেছিলেন, জীবনটাকে খুব কাছে থেকেই দেখি। আমি খুব ক্ষুদ্র আকারে চিন্তা করি। বউ, বাচ্চা ও ঘরেই সীমাবদ্ধ আমার চিন্তা-ভাবনা। আমাকে এই বিষয়ে স্বার্থপর বলা যায়। আমি যেনো আমাতেই সুখী।

কোটি মানুষের আবেগের সঙ্গী হয়ে ওঠা এন্ড্রু কিশোরের জন্ম হয়েছিলো ১৯৫৫ সালের ৪ নভেম্বর। তিনি পড়াশোনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এন্ড্রু কিশোর প্রাথমিকভাবে আবদুল আজিজ বাচ্চুর অধীনে সংগীতের পাঠ শুরু করেছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের পর কিশোর নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, আধুনিক, লোক, দেশাত্মবোধকসহ প্রায় সব ধারার গানে রাজশাহী বেতারে তালিকাভুক্ত হন এন্ড্রু কিশোর। চলচ্চিত্রে এন্ড্রু কিশোর গান গাওয়া শুরু হয়েছিলো ১৯৭৭ সালে। তার প্রথম গান গাওয়া ছবির নাম ‘মেইল ট্রেন’।

পরিচালক ছিলেন শিবলী সাদিক। এই ছবিতে তিনি গেয়েছিলেন ‘অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তার কেও’ গানটি। চলচ্চিত্রে এটিই ছিল তার প্রথম গান। ওই গানের সুরকার ও সংগীত পরিচালক ছিলেন আলম খান। তবে এন্ড্রু কিশোর সবার কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন দুই বছর পর। তার সেই গান ছিল ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’। মনিরুজ্জামান মনিরের লেখা গানটির সুরকার এবং সংগীত পরিচালক ছিলেন আলম খান।

তবে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন তারও আগে। ১৯৭৭ সালে ঢাকায় একটি ‘ট্যালেন্ট হান্ট’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য। সেখানে ‘সহেলি ও সহেলি’ গানটি গেয়েছিলেন তিনি। তবে সে গান কখনও কোথাও প্রকাশিত হয়নি। এরপর আলম খানের হাত ধরে ক্রমেই উপরে উঠতে থাকেন এন্ড্রু কিশোর।

তিনি বাংলাদেশ এবং অন্যান্য দেশের বহু চলচ্চিত্রেও বহু গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। যেজন্য তিনি ‘প্লেব্যাক সম্রাট’ নামেই পরিচিতি পান।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...