The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৯৫ হাজার টাকায় প্রাইভেট কার!

প্রযুক্তির আরেকটি নতুন যাত্রা হলো ইলেকট্রিক প্রাইভেটকার

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৯৫ হাজার টাকায় প্রাইভেট কার! এমন কথা শুনলে হয়তো অনেকের বিশ্বাসই হবে না। তবে এটি বাস্তবেও পাওয়া যাচ্ছে বাংলাদেশের বাজারে।

বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৯৫ হাজার টাকায় প্রাইভেট কার! 1

প্রযুক্তির আরেকটি নতুন যাত্রা হলো ইলেকট্রিক প্রাইভেটকার। পরিবেশ বান্ধব ও খরচ কম হওয়ায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এমনই ছোট আকার ও চমৎকার ডিজাইনের ইলেকট্রিক প্রাইভেটকার মাত্র ৯৫ হাজার টাকায় বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এই প্রাইভেটকারে আরামসে চালকসহ চার জন চলাফেরা করতে পারবেন।

জানা গেছে, বাংলাদেশের বাজারে এই ইলেকট্রিক গাড়ি বিক্রি করছে চায়না লোংসিদা বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান। তাদের ইলেকট্রিক বাহনের মধ্যে রয়েছে ইজি বাইক, পিকআপ, ভ্যান ইত্যাদি সামগ্রী।

তবে এই ৯৫ হাজার টাকা দামের প্রাইভেটকারের সঙ্গে ব্যাটারি নেই। পৃথকভাবে ব্যাটারি কিনে সংযোজন করতে হবে। ওই কারে ৪টি ব্যাটারি লাগাতে হয়। যার খরচ পড়বে ৪০ হাজার টাকা। যদিও প্রাইভেটকারের সঙ্গে ইলেকট্রিক মোটর, চার্জারসহ আনুষঙ্গিক সব কিছুই দেওয়া রয়েছে।

চায়না হতে ইলেকট্রিক প্রাইভেটকারের যন্ত্রাংশ আমদানি করে গাজীপুরের মাওনার কারখানায় এই কার রূপান্তর করে বিক্রি করা হচ্ছে। এর মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রেতারা কারটি সম্পর্কে খোঁজও নিচ্ছেন। কেও আবার কিনেও নিচ্ছেন। এতে কারটির চাহিদা আরও বেড়েছে। সিঙ্গেল চার্জে এই প্রাইভেটকারটি অন্তত ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলবে।

এই বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড লিগ্যাল বিভাগের ম্যানেজার শামীম হোসাইন জানিয়েছেন, এই ইলেকট্রিক প্রাইভেটকারটি দৈর্ঘ্য সাড়ে ৭ ফুট এবং প্রস্থ ৪ ফুট। উচ্চতা সাড়ে ৫ ফুট থেকে ৬ ফুট পর্যন্ত। এর সঙ্গে আরও রয়েছে ১০০০ ওয়াটের একটি মোটর এবং চার্জ কন্ট্রোলার, ৪৮ ভোল্টের একটি চার্জার, একটি স্পেয়ার চাকা এবং একটি টুলস বক্সও।

দামে বেশ সাশ্রয়ী হওয়ায় মানুষের আগ্রহ বাড়ছে এই গাড়ির প্রতি- এমনটিই জানানো হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...