The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

১০ বছরের বাচ্চার ব্যাংক ডাকাতির আজব কাণ্ড!

সময় মাত্র ৩০ সেকেন্ড। ব্যাংককর্মীদের কেও কেও বলছেন যে, এই সময় তার থেকেও কম সময়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ১০ লাখ টাকা গায়েব হলো একটি ব্যাংকের! আর সেই টাকা কে গায়েব করলো তা জনেন? মাত্র ১০ বছর বয়সী এক বাচ্চা!

১০ বছরের বাচ্চার ব্যাংক ডাকাতির আজব কাণ্ড! 1

সময় মাত্র ৩০ সেকেন্ড। ব্যাংককর্মীদের কেও কেও বলছেন যে, এই সময় তার থেকেও কম সময়। এতো কম সময়ের মধ্যে নাকি একটি ১০ বছরের বাচ্চা ব্যাংক হতে ১০ লাখ টাকা ডাকাতি করেছে! ঘটনাটি শুনে যে কেও হয়তো অবাক হবেন। তবে ঘটনাটি মিথ্যা নয়, একেবারেই সত্যি।

ভারতের মধ্যপ্রদেশের নিমচ জেলায় ঘটেছে এমন আজব ঘটনা। জাবদ এলাকার একটি ব্যাংকে দিনের সবচেয়ে ব্যস্ততম সময় এই দুঃসাহসিক ডাকাতি হয়েছে। একেবারে ফিল্মি কায়দায় হয়েছে ওই ডাকাতি। মাত্র ১০ বছর বয়সী একটি বাচ্চা ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ের মধ্যে ব্যাংক হতে ১০ লাখ টাকা গায়েব করে দিয়েছে বলে জানা যায়। সিসিটিভি ফুটেজে পুরো ঘটনা ধরাও পড়েছে।

ওই সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় যে, আনুমানিক ১০ বছর বয়সী একটি বাচ্চা ব্যাংকে ঢুকে সোজা চলে যাচ্ছে ক্যাশিয়ারের রুমে। সকাল এগারোটার সময় তখন ব্যাংকে প্রচুর ব্যস্ততা থাকে। সেই সঙ্গে থাকে গ্রাহকের লাইন। ব্যাংককর্মীরাও যে যার কাজে ব্যস্ত ছিলেন এই সময়। সেই বাচ্চাটি ক্যাশিয়ারের রুমে গিয়ে একটি ব্যাগ পেতে তাতে নোটের বান্ডিল ভরতে শুরু করে। ১০ বছরের বাচ্চা বলে কেও তাকে সন্দেহ করেনি। এমনকি তাকে খেয়ালও করেনি কেওই। ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে টাকা নিয়ে বেরিয়ে যায় সে। তারপরই অ্যালার্ম বাজতে শুরু হয়। তারপর নিরাপত্তারক্ষীরা বাচ্চাটিকে ধরতে ছোটেন। তবে বাচ্চাটি ততোক্ষণে ব্যাংক থেকে বেরিয়ে উধাও হয়ে গেছে।

স্থানীয় পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে জানিয়েছে যে, বছর ২০-র একটি ছেলে ওই বাচ্চাটিকে নির্দেশ দিচ্ছিল। সেই ছেলেটি ৩০ মিনিট ধরে ব্যাংকের ভেতরেই ছিল। একটা সময় ক্যাশিয়ার নিজের চেয়ার ছেড়ে পাশের ঘরে গেলেই সেই ছেলেটি বাচ্চাটিকে নির্দেশ দেন। তখনই বাচ্চাটি ক্যাশিয়ারের রুমে ঢুকে টাকা ভরতে থাকে ব্যাগের মধ্যে।

এমন ঘটনার পর হকচকিয়ে গেছেন ব্যাংককর্মী হতে শুরু করে পুলিশ কর্মকর্তারা। কী করে একটি ১০ বছরের বাচ্চা এমন দুর্ধর্ষ কাণ্ড ঘটাতে পারে! ভেবে কূলকিনারা পাচ্ছে না স্থানীয় পুলিশ। তারা ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেছেন রীতিমতো!

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...