The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিশ্বের সবচেয়ে দামী মাস্কের গল্প!

প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে যেনো উদ্ভাবকরা নিত্য নতুন মাস্ক বের করে চলেছেন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে বেঁচে থাকতে মাস্ক ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। শুরু হতেই এই মাস্ক নিয়ে বিশ্বে শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতা। আজ রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে দামী মাস্কের গল্প!

বিশ্বের সবচেয়ে দামী মাস্কের গল্প! 1

প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে যেনো উদ্ভাবকরা নিত্য নতুন মাস্ক বের করে চলেছেন। তবে এগুলো কতোটা কার্যকরি তা নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট প্রশ্ন। তারপরও দামী দামী মাস্ক তৈরিতে থেমে নেই উদ্ভাবকরাও। ইতিমধ্যেই বিশ্বের সবচেয়ে দামী মাস্ক তৈরি করেছে ইসরাইলের এক জুয়েলারি সংস্থা।

জানা যায়, সোনার সেই মাস্কের সঙ্গে রয়েছে হিরাও। যার দাম পড়বে দেড় মিলিয়ন ডলার! এই মাস্কের নির্মাতা আইজ্যাক লেভি বলেছেন যে, ১৮ ক্যারেট সোনা দিয়ে তৈরি হচ্ছে এই মাস্কটি। শুধু তাই নয়, এটিকে সাজানো হবে ৩৬০০টি সাদাকালো হীরা দিয়ে!

দেশটির ওয়েইভেল জুয়েলারির মালিক লেভি জানিয়েছেন যে, এক ক্রেতা এই মাস্ক তৈরির জন্য দুটো শর্ত জুড়ে দিয়েছেন। এই বছরের শেষের মধ্যেই এই মাস্ক তৈরি করতে হবে এবং এই মাস্ক যেনো দুনিয়ার সবচেয়ে মূল্যবান মাস্ক হয়। ক্রেতার নাম না জানালেও তিনি চীনের একজন ব্যবসায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন বলেও জানিয়েছেন লেভি।

নিজের ফ্যাক্টরিতে বসে লেভি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘অর্থ দুনিয়ার সবকিছুই কিনতে পারে না। তবে দুর্মূল্য করোনা মাস্ক কিনতে সাহায্য করছে এই অর্থ। যিনি এই মাস্ক কিনবেন খুব সহজেই অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারবেন তাতে সন্দেহ নেই।’

বিশ্বের এমন কঠিন পরিস্থিতিতে এই মাস্ক ব্যবহার কতোটা যুক্তিযুক্ত! তবে লেভি বলেছেন, তিনি এতে কোনও অন্যায় দেখছেন না। তার যুক্তি হলো, এই মাস্ক তৈরি করার জন্য আমাদের অনেক কর্মচারীর উপার্জনে সুবিধাই হলো। এই কঠিন সময় এই কাজ না পেলে আমার কর্মচারীরা বেশ মুশকিলে পড়তো।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে ভারতের কয়েকটি জুয়েলারি সংস্থা সোনার মাস্ক বের করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। করোনার মধ্যেই বিয়ে-শাদীতে নববধূর আকর্ষণ বাড়ানোর জন্য বানানো হয় সেইসব সোনার মাস্ক। সেগুলোকে ছাপিয়ে এবার পুরো বিশ্ব দেখবে সোনার সঙ্গে হীরাযুক্ত বিলাশবহুল মাস্ক!

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...