The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

এক ভেড়ার শাবকের দাম ৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা!

কয়েক মিনিটের মধ্যেই ৬ মাস বয়সী শাবকটির দাম এর আগের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শাবকটির পেটানো শরীর, নিখুঁত মাথা ও মসৃণ সোনারঙের দেহে ভেড়ার শাবকটি সত্যিই সুন্দর। কিন্তু তাই বলে তার দাম ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ পাউন্ড! অর্থাৎ টাকায় ৪ কোটি ১৬ লাখেরও বেশি! এও কী সম্ভব?

এক ভেড়ার শাবকের দাম ৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা! 1

ওই দামি ভেড়াটির নাম ডাবল ডায়মন্ড! কয়েক মিনিটের মধ্যেই ৬ মাস বয়সী শাবকটির দাম এর আগের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলে।

ভেড়া শাবকটির সর্বোচ্চ দামের নিলামে যোগ দেওয়া তিনজনের একজন হলেন জেফ আইকেন। সম্প্রতি স্কটল্যান্ডের ল্যানার্কে বিক্রির আগে তিনি বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে ডাবল ডায়মন্ডের দিকে নজরও রাখছিলেন। ভারি পেশীবহুল ভেড়াটি জিনগতভাবে একেবারে নিখুঁত।

জেফ আইকেন বলেন, এটা ঘোড়দৌড় কিংবা গবাদিপশুর অন্যান্য ব্যবসার মতো। প্রতিবারই এখানে বিশেষ কিছু আসে। তবে এদিন একটা অতিরিক্ত বিশেষ টেক্সেল পাওয়া গিয়েছিল। প্রত্যেকেই ডাবল ডায়মন্ডকে নিজের করে নিতে চেয়েছেন।

এই টেক্সেল হলো উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন একটি ভোড়ার প্রজাতি, যা নেদারল্যান্ডের উপকূলে অবস্থিত ছোট্ট দ্বীপ টেক্সেল হতে আসে। এগুলো নিয়মিত পাঁচ অংকেই বিক্রি হয়ে থাকে, তবে বিশেষ করে এবারের প্রতিযোগিতাটি তীব্র হয়ে উঠে।

আইকেন আরও বলেন, এটা উত্তেজনার চেয়ে স্নায়ুপীড়াদায়কই ছিল বেশি। আমরা জানতাম এটা সত্যি সত্যিই বিশেষ কিছু হতে চলেছে। ডাবল ডায়মন্ড সেরা জেনেটিক্সের অসামান্য একটি প্রাণী। প্রায় ৭-৮ জন লোক ছিলেন, যারা সত্য সত্যই চেয়েছিলেন ও এটিই হলো দাম বৃদ্ধির মূল কারণ।

রেকর্ড ভাঙা এই ভেড়ার শাবকটি ছিল ইংল্যান্ডের চেশায়ারের চার্লি বোডেন পরিবারে। ডাবল ডায়মন্ড বিক্রির পূর্বে নিলামে বিক্রি হওয়া ভেড়ার দামের আগের রেকর্ডটি ছিল ২০০৯ সালে ২ লাখ ৩০ হাজার ডলার।

আইকেন এবং তার দুই অংশীদার মিলে আয়ারশিয়ার এবং নথামবারল্যান্ডে একটি খামার পরিচালনা করেন। তারা মিলেই ডাবল ডায়মন্ডের মালিকানা ভাগাভাগি করে নিবেন। আইকেন বলেছেন, তাকে আর সবার থেকে পৃথক করে বিশেষভাবে বড় করে তোলা হবে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তার শুক্রাণু কৃত্রিম প্রজননের জন্য ব্যবহারও করা হবে।

আইকেন ও তার স্ত্রী ল্যাঙ্কাশায়ারের ফার্মে টেক্সেল প্রজনন করে থাকেন। ডাবল ডায়মন্ডের এই নজিরবিহীন দামের বিষয়ে তিনি বলেছেন, আমাকে আপনারা ভুল বুঝবেন না, একটি ভেড়ার পেছনে এতো অর্থ খরচ করা আসলেই অসঙ্গত। এই উচ্চদরের বেচাকেনা কখনও কৃষক সম্প্রদায়ের প্রতিচ্ছবি হওয়াও উচিত নয়।

তথ্যসূত্র: গার্ডিয়ান

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...