The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

রেললাইনে স্থাপিত দোকানপাটগুলো ট্রেনের হুইসেলে যেভাবে উধাও হয়!

রেললাইনের দুইপাশের দোকানগুলোতে বাঁশ দিয়ে ত্রিপল টাঙিয়ে গড়ে উঠেছে দোকানপাট

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিদেশী কোনো ঘটনা নয়, এটি নারায়ণগঞ্জের ঘটনা। সেখানকার ১ নং রেলগেট। রেললাইন থেকে কোয়ার্টার ইঞ্চি দূরত্বে গড়ে উঠেছে এক অবৈধ মার্কেট। রেললাইনে স্থাপিত দোকানপাটগুলো ট্রেনের হুইসেলে উধাও হয়ে যায়! ট্রেন চলে গেলেই আবার যা তা অবস্থা!

রেললাইনে স্থাপিত দোকানপাটগুলো ট্রেনের হুইসেলে যেভাবে উধাও হয়! 1

এই রেললাইন দিয়ে ১ ঘণ্টা পর পরই যাত্রী নিয়ে আসা-যাওয়া করছে ট্রেন। অথচ রেললাইনের দুইপাশের দোকানগুলোতে বাঁশ দিয়ে ত্রিপল টাঙিয়ে গড়ে উঠেছে দোকানপাট। ট্রেন আসার সঙ্গে সঙ্গেই বাঁশ ধরে ত্রিপল গুছিয়ে রাখেন ব্যবসায়ীরা, হুইসেল বাজিয়ে ট্রেন চলে গেলে আবার মেলে ধরেন!

সরেজমিনে দেখা যায় যে, রেললাইনের উভয় পাশ ঘেঁষে বিপজ্জনকভাবে বিভিন্ন প্রকার ফল, হলুদ, মরিচ, শুঁটকি, আসবাবপত্র এমনকি কাঁচাবাজারসহ প্রায় শতাধিক অবৈধ দোকানপাট বসে থাকে।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সংসার চালাতে ঝুঁকি নিয়েই রেললাইনের পাশে দোকান নিয়ে বসতে বাধ্য হয়েছেন তারা। তাদের কিছুই করার নেই। যে কারণে অবৈধ দোকানি এবং ক্রেতারা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই কেনাবেচা করছেন। কিছু দোকানপাট রয়েছে যে ট্রেন আসলে ট্রেনের গায়ের সঙ্গেই লেগে যায়।

প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবেই চলছে রেললাইনের দুই পাশে দোকানপাটগুলো। অনেক সময়ই ঘটছে ভয়াবহ দুর্ঘটনাও।

জানা যায়, মাপ দিয়ে দোকানের এডভান্স দিতে হয়। রেললাইনের পাশে ৫ ফুট জায়গায় চায়ের দোকানের জন্য ৫ হাজার টাকা এডভান্সও দিতে হয়েছে চায়ের দোকানের জন্যে বলে জানা যায়।

উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জে ২০১৯ সালের ১৮ অক্টোবর উচ্ছেদ অভিযান চালায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এতে প্রায় এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়। কয়েকদিন যেতে না যেতেই আবারও দখল হয়ে যায় রেললাইনের দু’পাস। অবৈধভাবে দোকানপাট বসেছে তার জন্য মোটা অংকের টাকাও দিতে হয়েছে স্থানীয় নেতাকর্মীদের। তথ্যসূত্র: দেশে বিদেশে

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...