The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

রানী এলিজাবেথকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে চান না বার্বাডোজ

আগামী নভেম্বরে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীন হওয়ার ৫৫তম বর্ষপূর্তিতে সরকারের এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা যায়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বৃটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথকে আর রাষ্ট্রপ্রধান মানতে চান না বার্বাডোজ। রাষ্ট্রপ্রধানের পদ হতে ব্রিটিশ রানীকে সরিয়ে বার্বাডোজে ঔপনিবেশিক শাসনের কলঙ্ক মুছে ফেলতে চান দেশটির প্রধানমন্ত্রী মিয়া মোটলে।

রানী এলিজাবেথকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে চান না বার্বাডোজ 1

আগামী নভেম্বরে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীন হওয়ার ৫৫তম বর্ষপূর্তিতে সরকারের এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা যায়।

সম্প্রতি এক লিখিত বক্তব্যে এই ঘোষণা দেন মিয়া মোটলে। রানীর বাসভবন বাকিংহাম প্যালেস থেকেও বিষয়টি নির্ভর করছে বার্বাডোজের সরকার এবং জনগণের ওপর সব কিছু নির্ভর করছে বলে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।

বিবিসির এক খবরে বলা হয়, পার্লামেন্টের নতুন অধিবেশনের পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর এই লিখিত বক্তব্যটি পড়ে শোনান গভর্নর জেনারেল। ১৯৬৬ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর প্রথম প্রধানমন্ত্রী এরল ব্যারোর একটি সতর্কবার্তাও সেখানে উল্লেখ করে হয়। যাতে তিনি বলেছিলেন যে, ‘উপনিবেশিক বৃত্তের মধ্যে দেশকে ঘুরপাক খাওয়া মোটেও উচিত হবে না।’

প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর দেশটির বার্বাডোজের গভর্নর জেনারেল সান্দ্রা ম্যাসন বলেছেন যে, ২০২১ সালের মধ্যেই রাজতন্ত্র হতে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে বার্বাডোজের। ‘উপনিবেশের অতীত বর্তমানে পুরোপুরিভাবে পেছনে ফেলার সময় এসে গেছে।’

লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী মিয়া মোটলে আরও বলেছেন, বার্বাডিয়ানরা রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে একজন বার্বাডিয়ানকেই চায়।

প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২০১৮ সালে নির্বাচিত হওয়া এই সরকার প্রধানের বক্তব্যে আরও বলা হয় যে, ‘আমরা কে ও কী অর্জন করতে সক্ষম সেই আত্মবিশ্বাসের চূড়ান্ত বিবৃতিই হলো এটি।’

দ্বীপরাষ্ট্র ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের প্রথম সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশ হিসেবে বার্বাডোজই যে প্রথম রাজতন্ত্র হতে প্রজাতন্ত্রে যাচ্ছে, তা অবশ্য নয়। স্বাধীনতার চার বছরেরও কম সময়ের মধ্যে ১৯৭০ সালে গায়ানা এই মর্যাদা আদায় করে নেয় এবং ১৯৭৬ এবং ১৯৭৮ সালে ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো এবং ডোমিনিকা একই পথ অনুসরণ করেছে।

উল্লেখ্য, বার্বাডোজের প্রজাতন্ত্র মর্যাদা অর্জনের জন্য ১৯৯৮ সালেই সাংবিধানিক রিভিউ কমিশন একটি সুপারিশও করেছিল।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...