The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অর্থের অভাবে গৃহকর্মী রাখতে পারছেন না!

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতি বছর প্রায় দেড় লাখ পাউন্ড বেতন পেয়ে আসছিলেন বরিস। সম্প্রতি এই বেতনের উল্লেখযোগ্য অংশও কমানো হয়েছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের কয়েকজন বন্ধু সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বরিসের বেতন কমে যাওয়ায় গৃহকর্মী রাখতে পারবেন কিনা তা নিয়ে চিন্তিত বরিস জনসন।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অর্থের অভাবে গৃহকর্মী রাখতে পারছেন না! 1

নিউইয়র্ক টাইমসকে বরিসের বন্ধুরা জানিয়েছেন, এখন বরিসের কোনো গৃহকর্মীই নেই। শুধু একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী রয়েছেন। কয়েক মাস পূর্বে আবার বাবা হওয়ায় বর্তমানে অন্তত একজন আয়ার প্রয়োজন বোধ করছেন তিনি। তবে তার বর্তমান বেতনে হয়তো আয়া রাখা সম্ভব হবে না।

ইন্ডিপেন্ডেন্টের এক খবরে বলা হয়, বরিসের আরেকজন সহযোগী দ্য টাইমস পত্রিকাকে বলেছেন যে, ব্রিটেনের আগের অন্যান্য প্রধানমন্ত্রীদের মতোই বরিসও খুব খারাপ সেবা পেয়ে আসছেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতি বছর প্রায় দেড় লাখ পাউন্ড বেতন পেয়ে আসছিলেন বরিস। সম্প্রতি এই বেতনের উল্লেখযোগ্য অংশও কমানো হয়েছে।

কনজারভেটিভ দলের এই নেতা এ বছরের শুরুর দিকে আবারও বাবা হয়েছেন। তার বাগদত্তা ক্যারি সাইমন্ডস পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। বরিসের একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী টাইমসকে বলেছেন যে, আগের প্রধানমন্ত্রীদের মতো তিনিও (বরিস) ‘খুব, খুবই খারাপ সেবা পেয়ে আসছেন’।

বরিসের বন্ধুরা বলেছেন, ‘তার (বরিসের) কোনো গৃহকর্মীই নেই। তার শুধু একজন ক্লিনার রয়েছেন। তিনি এখন একজন গৃহকর্মী রাখার সামর্থ্য নিয়ে বরং চিন্তিত। তিনি ফ্ল্যাটে আটকে রয়েছেন। ডাউনিং স্ট্রিটও থাকার মতো সুন্দর জায়গা নয়। এটি এলিসি বা হোয়াইট হাউসের মতো মোটেও নয়, যেখানে আপনি অনেক কিছু হতে সরে থাকতে পারেন, কারণ হলো সেগুলো অনেক বড় পরিসরের বরিস কিংবা কেরি যদি গোলাপ বাগানে যেতে চাইলেও তাদের অফিসের মধ্যদিয়েই যেতে হয়।’

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে লেখালেখি করতেন ও বক্তব্য দিয়ে বড় অংকের অর্থ আয় করতেন বরিস। দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের সর্বোচ্চ সম্মানির কলাম লেখক ছিলেন ররিস। এসব থেকে তিনি বছরে সাড়ে তিন লাখ পাউন্ডেরও বেশি আয় করতেন।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ওজন হ্রাস পাওয়ায় কনজারভেটিভ পার্টির সংসদ সদস্যরাও অবাক হন। সম্প্রতি অতিরিক্ত ওজনের বিষয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়ে ব্রিটিশদের চলতি বছরের করোনার সম্ভাব্য দ্বিতীয় তরঙ্গের আগে ওজন হ্রাস করারও আহ্বান জানিয়েছেন বরিস জনসন।

উল্লেখ্য, গত মার্চের শেষের দিকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন ররিস জনসন। ৫ এপ্রিল লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি হন বরিস। তিন রাত কাটান হাসপাতালে। তারপর তাকে ওয়ার্ডে দেওয়া হয়। সবমিলিয়ে এক সপ্তাহ হাসাপাতলে ছিলেন বরিস জনসন। অর্থাৎ প্রায় এক মাস পর সুস্থ হয়ে কাজে যোগ দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...