The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিয়ে করলেই নবদম্পতি পাবেন ৫ লাখ টাকা!

বিয়ের পর নতুন সংসার গোছাতে খরচ নিয়ে সবাই হিমশিম খেতে হয় অনেককেই। তাই জাপান সরকার নবদম্পতিকে দিচ্ছে ৫ লাখ টাকা

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিয়ে করলেই নবদম্পতি পাবেন ৫ লাখ টাকা! এমন কথা শুনে যে কেও আশ্চর্য হতে পারেন। কিন্তু ঘটনাটি সত্যিই আর এটি জাপানের ঘটনা।

বিয়ে করলেই নবদম্পতি পাবেন ৫ লাখ টাকা! 1

বিয়ের পর নতুন সংসার গোছাতে খরচ নিয়ে সবাই হিমশিম খেতে হয় অনেককেই। তাই জাপান সরকার নবদম্পতিকে দিচ্ছে ৫ লাখ টাকা। সম্প্রতি জাপান সরকারের পক্ষ হতে এমন তথ্য জানানো হয়।

তাতে বলা হয়েছে, ‘newlywed support program’ প্রকল্পের আওতায় আগামী এপ্রিল থেকে নব বিবাহিত দম্পতিদের আর্থিক সহায়তা বাবদ জাপানি মুদ্রায় ৬ লাখ ইয়েন যা বাংলাদেশী টাকায় ৪ লাখ ৮৬ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, জাপানে যেহেতু জন্মহার কমে গেছে ও মানুষজন দেরিতে বিয়ে করছেন কিংবা অবিবাহিত থাকছেন সে কারণে তাদেরকে বিয়েতে উৎসাহিত করতে এমন একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এক্ষেত্রে নতুন বিয়ে করা স্বামী এবং স্ত্রী উভয়ের বয়স অবশ্যই ৪০ এর নিচে থাকতে হবে। দুজনের সম্মিলিত আয়ও আবার কোনোভাবেই ৫৪ লাখ ইয়েনের বেশি হতে পারবে না।

সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছরের এপ্রিল মাস হতে বিয়েতে আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার নতুন এই নিয়ম চালুর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

এক খবরে বলা হয় যে, অবিবাহিত থাকতে চাওয়া এবং দেরিতে বিয়ে করার প্রবণতার কারণে জাপানে এমনিতেই শিশু জন্মহার দিনকে দিন কমে যাচ্ছে।

জন্মহার বাড়াতেই দেশটির সরকার এখন বিয়েতে প্রণোদনা প্রকল্পের আওতা বাড়িয়ে নবদম্পতিদের অনেক বেশি অর্থ এবং বয়সের সীমা খানিকটা বাড়িয়ে দেওয়ার কথাও ভাবছে।

নিউলিওয়েড সাপোর্ট প্রোগ্রামে এখন স্বামী-স্ত্রী উভয়ের বয়স ৩৫ এর কম ও সম্মিলিত আয় ৪৮ লাখ ডলারের নিচে আয় হলে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ইয়েন পর্যন্ত সহযোগিতা পাওয়া যায়।

চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত জাপানের মাত্র ২৮১টি পৌরসভা এ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, যা দেশটির ছোটবড় শহর এবং গ্রাম মিলিয়ে থাকা পৌরসভা মাত্র ১৫ শতাংশ।

উল্লেখ্য, বর্তমানে থাকা নিয়ম অনুযায়ী, নবদম্পতিদের সহযোগিতার অর্ধেক অর্থ বহন করে পৌরসভা; বাকিটা দিয়ে থাকে কেন্দ্রীয় সরকার।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...