The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বহু মানুষের জীবন বাঁচিয়ে সোনার পদক পাওয়া এক ইঁদুরের গল্প!

ইআফ্রিকান ইঁদুরটির নাম মাগওয়া

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ছোট্ট একটা ইঁদুর। সেটি কি না বহু মানুষের প্রাণ বাঁচাচ্ছে! শুনতে আজব মনে হলেও ঘটনাটি সত্যি। ছোট্ট ইঁদুর, সে-ই কি না বহু মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে। তাই এবার সেই ইঁদুরকে সোনার পদক দিয়ে সম্মান জানানো হয়েছে!

বহু মানুষের জীবন বাঁচিয়ে সোনার পদক পাওয়া এক ইঁদুরের গল্প! 1

জানা গেছে, ইআফ্রিকান ইঁদুরটির নাম মাগওয়া। এ পর্যন্ত সফলভাবে ৩৯টি ল্যান্ডমাইন ও ২৮টি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে এই ইঁদুর। পরীক্ষা চালিয়েছে ১ লক্ষ ৪১ হাজার স্কয়্যার কিলোমিটার এলাকা। যেটি মূলত ২০টি ফুটবল মাঠের সমান। মূলত মাটির নিচে থাকা ল্যান্ডমাইন কিংবা বিস্ফোরক খুঁজে বের করতেই এই ধরনের আফ্রিকান ইঁদুরকে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

তবে দীর্ঘদিন ধরে ট্রেনিং দেওয়ারও প্রয়োজন হয়। এই কাজে সিদ্ধহস্ত হলেন APOPO নামে একটি সংস্থা। তারাই এই ধরনের ইঁদুরকে উপযুক্ত ট্রেনিং দিয়ে এভাবে পারদর্শী করে তোলেন। কম্বোডিয়ার পিডিএসএ নামে একটি সংস্থা মাগাওয়াকে সোনার মেডেল পুরস্কার হিসেবে দিয়েছে। সংস্থার ৭৭ বছরের ইতিহাসে প্রাণীদের মধ্যে প্রথম কোনও ইঁদুর এই পুরস্কার পেলো।

একাধিক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সাক্ষী থাকা কম্বোডিয়ার প্রচুর এলাকায় এখনও বহু ল্যান্ডমাইন পোঁতা রয়েছে। মাঝেমধ্যেই তা মানুষের প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই ইঁদুরসহ প্রশিক্ষিত আরও অনেক প্রাণীর সাহায্যে ওই ল্যান্ডমাইন কিংবা বিস্ফোরক খোঁজার কাজ চালানো হয়। জানা গেছে, মাগওয়া মাত্র ৩০ মিনিটে গোটা একটি টেনিস কোর্ট পরীক্ষা করে জানিয়ে দিতে পারে যে, সেখানে কোনও বিস্ফোরক কিংবা ল্যান্ডমাইন রয়েছে কি না। অথচ একজন মানুষের পক্ষে বম্ব–ডিটেকটর দিয়ে সেটি খুঁজতে সময় লাগবে অন্তত চারদিন। তাই এই কাজে ইঁদুরই প্রধান ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মাগওয়ার এই সোনার মেডেল জয়ের খবরে খুশি নেটিজেনরা। PDSA–সংস্থার পক্ষ হতে টুইট করে মাগওয়ার পুরস্কারের খবরটি জানানো হয়। সেই পোস্টটিও বর্তমানে ভাইরাল। ওই ইঁদুরের কাজের প্রশংসায় রীতিমতো সরগরম পুরো বিশ্বের সোশ্যাল মিডিয়া।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...