The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

লাভ লোকসানের চিন্তা না করে ছবি মুক্তি দিতে চান হিরো আলম

লোকসানের কথা চিন্তা করে করোনার পর থেকে কেওই ছবি মুক্তি দেওয়ার সাহস করেননি

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ তার নিজের ভাষায় হিরো আলম বলেছেন, ‘হামি হামার ছবি মুক্তি দেমো, লাভ লোকসান লিয়া টেনশন করি না’। অর্থাৎ লাভ লোকসানের চিন্তা না করেই ছবি মুক্তি দিতে চান হিরো আলম!

লাভ লোকসানের চিন্তা না করে ছবি মুক্তি দিতে চান হিরো আলম 1

লোকসানের কথা চিন্তা করে করোনার পর থেকে কেওই ছবি মুক্তি দেওয়ার সাহস করেননি। তবে সবাই পেছালেও, এগিয়ে এলেন হিরো আলম। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের পুরো পৃথিবী থমকে গিয়েছেও নরমাল লাইফে ফিরছে সবই। সেই ধারাবাহিকতায় আগামী ১৬ অক্টোবর দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলো খুলে দেওয়া হতে পারে। তথ্যমন্ত্রী সেই তথ্যই দিয়েছেন। যদি সব কিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলো আগামী ১৬ অক্টোবর খুলে যাবে। এখন শুধুই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।

ইতিমধ্যে হলগুলো খোলার প্রস্তুতিও নিচ্ছে। তবে এই সময় নতুন কোনো ছবি মুক্তি পাবে না। কেনোনা সিনেমায় যে পরিমাণ লগ্নি তা এই নীরিক্ষণ সময়ে তা ফিরে নাও আসতে পারে।

অনেকের ধারণা মুখ থুবড়ে পড়তে পারে নতুন ছবিগুলো। সে কারণে সকল প্রযোজকই পিছিয়ে যাচ্ছেন। এমন সময় ঘোষণা দিলেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম তার সিনেমা মুক্তি দেওয়ার।

হিরো আলম বলেছেন, ‘১৬ তারিখ যদি সিনেমা হল খোলে তাহলে হামি হামার ছবি মুক্তি দেমো, হামি লাভ লোকসান লিয়া টেনশন করি না।’

হিরো আলমের প্রযোজনায় প্রথম সিনেমা ‘সাহসী হিরো আলম’ সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে এ বছরের শুরুতেই। এটি মুক্তি পাবার কথা ছিল গত ২৭ মার্চ।

এই সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন হিরো আলম নিজেই। হিরো আলম জানিয়েছেন, কোনো আলোচনা-সমালোচনায় আমাকে আটকাতে পারেনি। পুরোপুরি আনকাট অবস্থায় ছাড়পত্র পেয়েছে আমার সিনেমাটি। ২৭ মার্চ মুক্তি পাবে এই সিনেমাটি।

সিনেমার গল্প সম্পর্কে হিরো আলম জানিয়েছেন, আমি সাহসী, কোনো কিছুতেই আমি ভয় পাই না। তাই সিনেমার নামও দিয়েছি ‘সাহসী হিরো আলম’।

হিরো আলম বলেছেন, আমার বিপরীতে এই ছবিতে তিনজন নায়িকা অভিনয় করেছেন। তারা হলেন, সাকিরা মৌ, রাবিনা বৃষ্টি এবং নুসরাত জাহান। ‘সাহসী হিরো আলম’ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন এ আর মুকুল নেত্রবাদী।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...