The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

গবেষণা বলছে করোনা সম্পর্কিত রহস্যময় রোগে সবাই আক্রান্ত হতে পারে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) গবেষণায় সতর্ক করে বলা হয়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ নতুন শনাক্ত করা একটি রোগ, যা শিশুদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে। গবেষকরা জানিয়েছেন যে, করোনা ভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নতুন রোগটি প্রাপ্তবয়স্কদেরও আক্রান্ত করতে পারে।

গবেষণা বলছে করোনা সম্পর্কিত রহস্যময় রোগে সবাই আক্রান্ত হতে পারে 1

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) গবেষণায় সতর্ক করে বলা হয়, নতুন ‘মাল্টিসিস্টেম ইনফ্লেমেটরি সিনড্রোম (এমআইএস-এ)’ রোগটি বয়স্কদের জন্যও হতে পারে মারাত্মক।

এমআইএস-এ রোগটি গত এপ্রিল মাসে প্রথমবার শনাক্ত হয় এবং এটি একাধিক অঙ্গে প্রদাহও বৃদ্ধি করে। এই রোগের বেশ কয়েকটি লক্ষণ রয়েছে। যার মধ্যে হলো- ৫ দিনের বেশি সময় ধরে জ্বর, ত্বকে র‌্যাশ কিংবা ফুসকুড়ি, গলা ফুলে যাওয়া, শুষ্ক ও ফাটা ঠোঁট, হাত কিংবা পায়ের আঙুল লাল হয়ে যাওয়া, চোখ লাল হয়ে যাওয়া ও ডায়রিয়া।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, শিশুদের নতুন রহস্যময় এমআইএস- নামে এই রোগটি করোনা ভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই রোগের অনেক রোগীর টেস্টে করোনা পজেটিভ বা এই রোগের বিরুদ্ধে শরীরে এন্টিবডি তৈরি হতে দেখা যায়, যা সাম্প্রতিক সংক্রমণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সিডিসি এবার বয়স্কদের মধ্যে এমআইএস-এ’র ২৭টি কেস ইতিমধ্যেই শনাক্ত করেছে, যে সব রোগীদের বয়স ২১ হতে ৫০ বছরের মধ্যে। ডা. স্বপ্না বামরাহ মরিসের নেতৃত্বে সিডিসির গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, ‘এই ২৭ জন রোগীর মধ্যে গুরুতর শ্বাসকষ্ট ব্যতীত কার্ডিওভাসকুলার, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল, ডার্মাটোলজিক ও নিউরোলজিক লক্ষণ ছিল এবং সেইসঙ্গে তারা কোভিড-১৯ রোগেও আক্রান্ত ছিল। যা প্রাপ্তবয়স্কেরদেরও এমআইএস-এ রোগের আক্রান্ত হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।’

এই গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে গবেষকরা এমআইএস-এ নিয়ে আরও বিস্তর গবেষণার আহ্বান জানিয়েছেন। গবেষকদের ধারণা মতে, ‘অ্যান্টিবডি টেস্ট ও করোনা টেস্টের রেজাল্টর ভিত্তিতে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও এমআইএস-এ শনাক্ত ও চিকিৎসার প্রয়োজন হবে। এই রোগ সম্পর্কে বিশদ তথ্য ও এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবগুলো বোঝার জন্য আরও বিস্তর গবেষণার প্রয়োজন।’

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...