The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান দ্বন্দ্ব কী তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ দু’বারের ব্যর্থ সংঘর্ষবিরতির পর আরও তীব্রতর হয়েছে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের মধ্যে চলা যুদ্ধ। তাদের এই দ্বন্দ্ব কী তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে? এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান দ্বন্দ্ব কী তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে? 1

প্রায় এক মাস ধরে চলা যুদ্ধে এ পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটেছে বলে দাবি করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

বিশ্লেষকদের মত হলো, এই লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং তুরস্কের মতো দেশগুলো জড়িয়ে পড়ায় ক্রমেই বাড়ছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনাও।

করোনার মধ্যেই গত সেপ্টেম্বর মাসের ২৭ তারিখ হতে আর্মেনীয় অধ্যুষিত বিতর্কিত নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলের দখল নিয়ে জোর লড়াই শুরু করে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। রুশ পৌরহিত্যে দু’বার সংঘর্ষবিরতি চুক্তি হলেও তা ছিলো একেবারেই ক্ষণস্থায়ী।

তাই ককেশাসে শান্তি ফেরাতে গত শুক্রবার দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে পৃথকভাবে ওয়াশিংটনে বৈঠকে বসেন মার্কিন পররাষ্ট্রসচিব মাইক পম্পেও। ওই বৈঠক চলাকালীন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সামনে প্রতিবাদ করেন আজেরবাইজন এবং আর্মেনিয়ার সমর্থকরা।

জানা যায় যে, প্রথমেই আজারবাইজাননের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেহুন বায়রামভের সঙ্গে দেখা করেন পম্পেও। ওই বৈঠক চলে প্রায় ৪০ মিনিট যাবত। যুদ্ধ থামানো নিয়ে কথা হলেও দু’জনের মধ্যে হওয়া আলোচনা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই যায়।

এরপর আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জহরাব নাতসাকানয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মার্কিন পররাষ্ট্রসচিব। তবে নিজেদের অবস্থান হতে পিছু হটতে রাজি নয় কোনও পক্ষই।

যে কারণে শান্তির আশা আপাতত নেই বলা যায়।ইতিপূর্বে গত বৃহস্পতিবার আর্মেনিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে যুদ্ধ ও এই সংক্রান্ত সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।

উল্লেখ্য যে, ককেশাস অঞ্চলে চলা এই লড়াইয়ে রীতিমতো বিভক্ত হয়ে পড়েছে বিশ্ব। আজারবাইজানের পক্ষে রয়েছে তুরস্ক, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং মুসলিম বিশ্বের একাধিক দেশ। অপরদিকে আর্মেনিয়ার পক্ষে রয়েছে ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ।

এই সংঘাতে নিজেদের স্বার্থে ইতিমধ্যেই জড়িয়ে পড়েছে আমেরিকা ও রাশিয়া। যে কারণে যুদ্ধের আগুন শীঘ্রই না নিভলে বিশ্বযুদ্ধের দাবানল ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...