The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ভারতে মুসলিমদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে -অমর্ত্য সেন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ভারতে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের অধিকার হননে দেশটির সরকারের কর্তাব্যক্তিরা অতিমাত্রায় তৎপর রয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন।

ভারতে মুসলিমদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে -অমর্ত্য সেন 1

চলতি বছরে জার্মান বুক ট্রেডের শান্তি পুরস্কার উপলক্ষে সম্প্রতি দেওয়া এক বক্তব্যে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন এ কথা বলেন।

অমর্ত্য সেন বলেছেন, ভারতে কয়েকশ বছর ধরে মুসলিম ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা একসঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন। তবে সাম্প্রতিক সময় ‘চরমপন্থী হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক সংগঠনের’ আচরণের কারণে এই শান্তি বিনষ্ট হচ্ছে। এসব সংগঠন ভারতে বসবাসকারী মুসলিম ধর্মালম্বীদের বিদেশী হিসেবে গণ্য করার চেষ্টা করছেন। মুসলিমরা বিভিন্নভাবে ভারতের ক্ষতি করে চলেছে এমন দোষও তাদের ঘাড়ে চাপানো হচ্ছে।

অমর্ত্য সেন আরও বলেছেন, মুসলিমদের হেয় করার এসব আচরণে ইন্ধন দিচ্ছে চরম হিন্দু রাজনীতির ক্রমবর্ধমান কতিপয় শক্তি। যে কারণে প্রতিনিয়ত সমাজে ব্যাপকভাবে বাড়ছে গোষ্ঠীগত বিচ্ছিন্নতা এবং ধর্মাশ্রিত বৈরীভাব।

নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ আরও বলেছেন, বর্তমান সরকার সংশোধিত বেআইনি কার্যকলাপ নিবারণ (ইউএপি) আইনের মাধ্যমে যখন যেভাবে যাকে খুশি ‘সন্ত্রাসবাদী’ বানিয়ে দিচ্ছে। অথচ এসব অভিযুক্তরা সাধারণত গান্ধী প্রবর্তিত অহিংস ধারা অনুসরণ করেই এইসব অন্যায়ের প্রতিবাদ করছেন। বিশেষত ধর্মনিরপেক্ষ প্রতিরোধে এভাবেই আন্দোলন করছে ছাত্র সংগঠন।

উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ইউএপি আইনে ‘সন্ত্রাসবাদী’ অভিযুক্ত করে দিল্লির জওহর লাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুসলিম গবেষক ওমর খালিদকে গ্রেফতার করে জেলে রাখা হয়েছে। অথচ ওমর ধর্মনিরপেক্ষ দিকটিকেই সুন্দর এবং শান্তিপূর্ণভাবে বর্ণনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে, তাদেরকে লাঠিপেটা করা হলে তারা ভারতের জাতীয় পতাকা ওড়াবেন। তাদের বুকে গুলি করা হলে তার জবাবে তারা দেশটির সংবিধান তুলে ধরবেন।

অমর্ত্য সেন আরও বলেছেন, বিভিন্ন ধর্মের মানুষের শিল্প সংস্কৃতি মিলেই তৈরি হয়েছে আজকের এই ভারতীয় সংস্কৃতি। এর সমন্বয় দেখা যায় সাহিত্য থেকে সঙ্গীত কিংবা স্থাপত্য হতে চিত্রকলা সব জায়গাতেই। ভারতীয় ছাড়া অন্যান্যরাও যাতে হিন্দু শাস্ত্রগুলো পড়তে পারেন সেজন্যই তর্জমার কাজ শুরু করেছিলেন সম্রাট শাহজাহান এবং মমতাজের জ্যেষ্ঠপুত্র। অথচ বর্তমান সরকার স্কুলের পাঠ্যবই হতে মুসলিমদের অবদান একেবারেই মুছে দিচ্ছে। পরিবেশন করছে তাদের মনগড়া ইতিহাস।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...