The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিশ্বের চোখ এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের ফলাফলের দিকে

এখনও পুরোপুরি ফল আসেনি। কিছুটা বাঁকি রয়েছে ফল আসার

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এখনও পুরোপুরি ফল আসেনি। কিছুটা বাঁকি রয়েছে ফল আসার। তারপরও বিশ্বের চোখ এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের ফলাফলের দিকে।

বিশ্বের চোখ এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের ফলাফলের দিকে 1

এখনও পুরোপুরি ফল আসেনি। কিছুটা বাঁকি রয়েছে ফল আসার। তারপরও বিশ্বের চোখ এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের ফলাফলের দিকে। দুজন প্রার্থীই বর্তমানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মধ্যে রয়েছেন।

ব্যক্তির উপর দেশের নীতি নির্ভর করে না। কারণ মার্কিন নীতিরও কোনো পরিবর্তন হবে না এই নির্বাচনে সেটি প্রায় নিশ্চিত করে বলা যায়। তারপরও সারা বিশ্বের মানুষ এখন তাকিয়ে আছে মার্কিন নির্বাচনের দিকেই।

তবে এতোকিছুর পরও বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলো ভাবছে জো বাইডেন ক্ষমতায় এলে হয়তো মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর জন্য ভালো হবে। কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশেষ করে ফিলিস্তিন ও ইসরাইল ইস্যুতে ইসরাইলের পক্ষ নিয়েছিলেন। সেই কারণে মুসলমানদের মধ্যে ধারণা যে, জো বাইডেন ক্ষমতায় এলে হয়তো তিনি মুসলমানদের এভাবে বিপক্ষে যাবেন না। তাছাড়াও আরও অনেকেই ভাবেন ট্রাম্প একজন ‘কুভাষী’। যখন যাকে খুশি তাই বলে দেন। এমন এক পরিস্থিতিতে আসলে বাস্তবতার নীরিখে মনে হয় ট্রাম্প ক্ষমতায় না এলেই বোধহয় ভালো।

কিন্তু অনেক প্রবাসী বাংলাদেশীর মতামত একেবারেই ভিন্ন। আমেরিকান প্রবাসী জনৈক বাংলাদেশী এই বিষয়ে বললেন সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা। তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বললেন, ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকলেই ভালো। তিনি আমেরিকার অর্থনীতিতে যা করেছেন তা অন্য কেও এসে করতে পারবে না। বাস্তবে হয়তো ট্রাম্প যখন তখন যা খুশি বলে ফেলেন। সেটি তার একটি স্বভাব। কিন্তু তিনি আমেরিকার অর্থনীতিকে ঢেলে সাজিয়েছেন। এমন এক করোনা পরিস্থিতিতেও তিনি আমেরিকার নাগরিকদের সাহায্য করে আসছেন। তিনি যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে গিয়ে অনেক ভালো কাজ করেছেন। অথচ আগের সরকারগুলো সব সময় বিশ্বের কোথাও না কোথাও যুদ্ধের মধ্যেই মেতে থাকতেন। তাই ট্রাম্পই আবারও ক্ষমতায় আসা দরকার। তাছাড়া অধিবাসী নীতি নিয়ে যারা বলছেন সেটি হলো ট্রাম্প অবৈধ অধিবাসীদের কথা শুধু বলেছেন। কারণ অবৈধ অধিবাসীদের জন্য যারা এখানে বৈধভাবে বসবাস করছেন তারা কোনো কাজ পান না। তাই সেই নীতিও একটি ভালো নীতিই বলা যায়। তাছাড়া অধিবাসীদের নিকটাত্মীয়দের আমেরিকায় আনার নীতিতো তিনি বন্ধ করেন নি। আগে যেভাবে ছিলো ঠিক সেভাবেই রয়েছে। তাই মুসলমানদের বা অধিবাসীদের বিপক্ষে ট্রাম্প সেই কথাটিও মোটেও ঠিক না।

উপরোক্ত বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে অনেকেই চাইছেন ট্রাম্প আবার ক্ষমতায় আসুক। তবে শেষ কথা হবে নির্বাচনের ফলাফল। দুজন প্রার্থীই বর্তমানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মধ্যে রয়েছেন। খুব নিকটতম হয়েই একজন জয়ী হবেন। তবে কিভাবে কবে, নাকি আইনী লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ফলাফল পিছিয়ে যায় সেটিই এখন দেখা বিষয়। [এই রিপোর্ট (৫ নভেম্বর সকাল ৯.৩০) লেখা পর্যন্ত মার্কিন নির্বাচনের ফল হয়নি)]

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...