The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

এক কিশোর জীবিত গরুর নাড়ি-ভূড়ি বের করে খেলো!

স্থানীয় লোকজন কিশোরটিকে মানসিক রোগী হিসেবে দেখছেন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সাধারণত কোনো জীবজন্তু যেটা করে থাকে ঠিক সেটিই করলো ১৮ বছর বয়সী এক কিশোর। মাঠে চড়ানো গরুর নাড়ি-ভূড়ি, সে কলিজা খাওয়ার মতো আজবকাণ্ড ঘটিয়েছে।

এক কিশোর জীবিত গরুর নাড়ি-ভূড়ি বের করে খেলো! 1

স্থানীয় লোকজন কিশোরটিকে মানসিক রোগী হিসেবে দেখছেন। ঘটনাটি এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায়। গত সোমবার দুপুরে পৌর এলাকার তারাগনে এমন একটি ঘটনা ঘটে। কিশোরের বাবা ক্ষতিগ্রস্ত গরুর মালিককে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন। তবে অন্য গরুর মালিকরা এমন ঘটনায় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, তারাগন পশ্চিমপাড়ার মো. আবু তাহের মিয়া সোমবার সকালে বাড়ির পাশেই খোলা মাঠে নিজের গরু চড়াতে দিয়েছিলেন। তার দুপুরে গিয়ে দেখেন গরুটি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। একই সঙ্গে পিছন দিক দিয়ে গরুর নাড়ি-ভূড়ি বের হয়ে রয়েছে। এর পাশেই বসেছিলেন এক কিশোর। গরুর মালিককে দেখেই ওই কিশোর পালিয়ে যায়। পরে তাকে ধরে আনলে গরুর পা বেঁধে পিছন দিক দিয়ে কেটে নাড়ি-ভূড়িসহ ভেতর থেকে বিভিন্ন কিছু বের করে খায় বলে সকলের কাছে স্বীকার করে। ইতিমধ্যে শতশত লোক জড়ো হয় সেখানে।

আবু তাহের মিয়া জানিয়েছেন যে, কিছুদিন আগে প্রায় ৫০ হাজার টাকায় তিনি গরুটি কিনেছিলেন। সোমবার দুপুরে বাড়ির পাশে ঘাস খাওয়ার সময় এলাকার এক কিশোর এই ঘটনাটি ঘটায়। প্রথমে বিষয়টি কারও বিশ্বাসই হয়নি। পরে তাকে ধরে আনলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তবে কি কারণে সে এমন একটি কাণ্ড করলো, সেই বিষয়ে কোনো কথায় বলে না।

তারাগন গ্রামের আলম মিয়া নামে জনৈক ব্যক্তি বলেন, ‘মানুষকে কতো রকমের খাবার খেতে দেখেছি। তবে এভাবে কখনও তাজা গরুর নাড়ি-ভূড়ি খেতে দেখিনি। নিজের গরু নিয়ে এখন আমি বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছি।

আখাউড়া উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মো. কামাল বাশার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ঘটনাটি শুনে দ্রুত খোঁজখবর নিতে লোক পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, ওই কিশোর মানসিক রোগী। তার চিকিৎসা হওয়া প্রয়োজন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...