The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে দেখা যাবে বলিউডের নতুন সিনেমা!

সিনেমাগুলো ভারতের সঙ্গে একযোগে বাংলাদেশে মুক্তি পাবে নাকি বলিউডের পুরোনো সিনেমা চালানো হবে তা এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বলিউডের নতুন সিনেমা আগামী ৬ মাসের মধ্যে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে মুক্তি পাওয়া শুরু করবে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে দেখা যাবে বলিউডের নতুন সিনেমা! 1

ভারতের সঙ্গে একযোগে এদেশেও এসব ছবি মুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা যায়। করোনাকালীন সময়ে দর্শক সংকট কাটাতে বাংলাদেশের সিনেমা হলগুলোতে হিন্দি ছবি চালানোর প্রস্তাব দিয়েছেন হল মালিকরা। সিনেমা হলগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়া ঠেকাতে এমন পদক্ষেপের বিকল্প নেই বলেও তাদের অভিমত।

বাংলাদেশ হল মালিক সমিতির নেতাসহ অন্যান্যরা তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে এক বৈঠকে বলিউডের দশটি সিনেমা চালানোর প্রস্তাবও দিয়েছেন। তথ্যমন্ত্রী হল মালিক সমিতিকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একটি লিখিত প্রস্তাব দেওয়ার কথা বলেছেন। লিখিত পাওয়ার পর মন্ত্রণালয় হতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে বলে জানা যায়।

সিনেমাগুলো ভারতের সঙ্গে একযোগে বাংলাদেশে মুক্তি পাবে নাকি বলিউডের পুরোনো সিনেমা চালানো হবে তা এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। লিখিত পাওয়ার পর মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সেটি নির্ধারণ করবেন। সিনেমা চালুর দিন তারিখও সেই সময় নির্ধারিত হবে বলে জানা যায়।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বেও বেশ কয়েকবার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পুরনো হিন্দি সিনেমা মুক্তিও পায়। তবে চলচ্চিত্রের নানা সংগঠনের নেতাকর্মীদের আন্দোলনের মুখে সেটি খুব একটা সফলতার মুখ দেখেনি। আবারও শোনা যাচ্ছে যে, বলিউডের সিনেমা মুক্তি পাবে বাংলাদেশের সিনেমা প্রেক্ষাগৃহগুলোতে। ভারতে মুক্তির দিনেই বাংলাদেশে মুক্তি দেওয়া হবে এইসব বলিউডের সিনেমা।

সাফটা চুক্তিকে কিছুটা ‘আপগ্রেড’ করার মাধ্যমে এমন সিদ্ধান্তের দিকেই হাঁটছেন বাংলাদেশের সিনেমা হল মালিকরা। এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সহ-সভাপতি মিয়া আলাউদ্দিন। তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘দেশীয় প্রযোজকদেরও বলিউডের সিনেমা মুক্তির বিষয়ে সমর্থন রয়েছে।’ মূলত হল ব্যবসা বাঁচিয়ে রাখতেই সবাই এমন একটি সিদ্ধান্তে মত দিচ্ছেন বলেও জানা যায়।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...