The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ভারতের কোচবিহারের রাজাভাতখাওয়া

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। বুধবার, ৬ জানুয়ারী ২০২১ খৃস্টাব্দ, ২২ পৌষ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

ভারতের কোচবিহারের রাজাভাতখাওয়া 1

যে দৃশ্যটি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন সেটি ভারতের কোচবিহারের রাজাভাতখাওয়া নামক স্থান। সত্যিই অপূর্ব এখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য।

কোনো স্থানের নামকরণ হয় একটি ঐতিহাসিক ঘটনা, আঞ্চলিক পরিবেশ, বৈচিত্র্য, লোকজন, কর্মজীবনের ওপরই সব নির্ভর করে। রাজাভাতখাওয়া নামকরণের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে এমনই একটি ইতিহাস। রাজাভাতখাওয়া ছিল কোচবিহার রাজ্যপাটের একটি অংশ।

এক ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৭৬৫ সালে কোচবিহারের সিংহাসনে বসেছিলেন ধৈর্যেন্দ্রনারায়ণ। তিনি তেরোতম রাজা ছিলেন। ভুটানের রাজা দেবরাজ ছিলেন তারই প্রতিপক্ষ। তিনি ঘোষণা করেন যে, বক্সার অঞ্চলটি ভুটানের অন্তর্গত। অঞ্চলের অধিকারের জন্য ভুটানের রাজা দেবরাজ তার সেনাপতি পানসু তমা-কে পাঠিয়ে দেন।

কোচবিহারের রাজা প্রতিরোধ করলে সেনাপতি তাকে বন্দি করে প্রথমে বক্সার এরপর ভুটানের রাজধানী পুনাখা’তে নিয়ে যান। এমন এক অবস্থায় কোচবিহারের রাজপরিবার রাজাকে উদ্ধার এবং রাজ্যরক্ষার জন্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দ্বারস্থ হন।

ব্রিটিশ সেনাকর্তৃক ১৭৭৪ সালে কোচবিহারের রাজাকে উদ্ধার করা হয়। রাজাকে স্বাগত জানাতেই রাজপরিবারের তরফ হতে এই অঞ্চলে এক মহা ভোজসমারোহের আয়োজন করা হয়। দীর্ঘ বন্দিদশা থাকার পর ফিরছেন রাজা। তাই এই ভোজসমারোহে আয়োজন করা হয় বাঙালি ট্রেডিশনাল খাবার ভাতের সঙ্গে নানা উপকরণ দিয়ে।

এখানে রাজা ভাত খেয়েছিলেন বলেই এই অঞ্চলের নামকরণ হয়ে যায় রাজাভাতখাওয়া। এই কথাকে স্মরণীয় করার জন্য বনদপ্তর তৈরি করা মিউজিয়ামটির গায়ে রাজামশাইয়ের সপার্ষদ ফিরে আসার সেই দৃশ্য আঁকা রয়েছে বড় বড় করে।

এমন সুন্দর একটি ছবির জন্য এর আলোকচিত্রীকে অশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...