The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

২৫৩ কোটি ২৮ লাখ টাকায় বিক্রি হলো মাইকেল জ্যাকসনের বাড়িটি!

প্রায় ২ হাজার ৭শ’ একর জমির ওপর বাড়িটি ২০১৫ সালে বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত করে দাম চাওয়া হয় ১০০ মিলিয়ন কিংবা ১০ কোটি ডলার

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ক্যালিফোর্নিয়ার লস অলিভসে প্রয়াত মাইকেল জ্যাকসনের ‘দি নেভারল্যান্ড র্যা ঞ্চ’ বাড়িটি অবশেষে কিনে নিয়েছেন তার এক সাবেক বন্ধু রন বার্কলে। বাড়িটি বিক্রি হয়েছে ২৫৩ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার টাকায়!

২৫৩ কোটি ২৮ লাখ টাকায় বিক্রি হলো মাইকেল জ্যাকসনের বাড়িটি! 1

এই সংক্রান্ত রেকর্ড এবং চুক্তির সঙ্গে জড়িত তিন ব্যক্তিকে উদ্ধৃত করে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে যে, এ জন্য বার্কলে ২২ মিলিয়ন পাউন্ড কিংবা ২ কোটি ২০ লাখ ডলার পরিশোধ করেছেন। যা বাংলাদেশী দাড়াচ্ছে মুদ্রায় ২৫৩ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার টাকা।

প্রায় ২ হাজার ৭শ’ একর জমির ওপর বাড়িটি ২০১৫ সালে বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত করে দাম চাওয়া হয় ১০০ মিলিয়ন কিংবা ১০ কোটি ডলার। তারপর থেকে এর দাম ওঠানামা করতে থাকে। গত বছর সর্বনিম্ন ৩১ মিলিয়ন ডলারে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিলো।

মাইকেল জ্যাকসন ১৯৮৭ সালে নিজে ১ কোটি ৯৫ লাখ ডলারে বাড়িটি কিনেন এবং খ্যাতির চূড়ায় থাকার সময় এখানেই তিনি বসবাস করতেন। তিনি এটিকে একটি বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত করেন যার মধ্যে ছিলো একটি চিড়িয়াখানাও।

তবে ১৯৯০ সাল ও এর পরবর্তী দশকে নেভারল্যান্ড ছিল মাইকেল জ্যাকসনের বিরুদ্ধে ওঠা শিশু যৌন হয়রানির কয়েকটি অভিযোগ তদন্তের মূল কেন্দ্রবিন্দু।

নেভারল্যান্ডকে তরুণ বালকদের গ্রুমিংয়ের জন্য ফ্যান্টাসি ওয়ার্ল্ড হিসেবেও ব্যবহারের অভিযোগ সবসময় প্রত্যাখ্যান করেছেন মাইকেল জ্যাকসন নিজেও। এরমধ্যে ১৩ বছরের একটি ছেলেকে হয়রানির অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হয়ে খালাস পেয়েছিলেন জ্যাকসন। তার মৃত্যুর পর নেভারল্যান্ডের নতুন নামকরণ করা হয় সিকামোর ভ্যালি র্যা ঞ্চ হিসেবে ও তারপর ব্যাপক সংস্কারও করা হয় বাড়িটির।

এদিকে যিনি এই বাড়িটি কিনেছেন, সেই বার্কলে’র মুখপাত্র বলেন যে, এই বিনিয়োগকে ল্যান্ড ব্যাংকিং সুবিধা হিসেবেই দেখছেন বার্কলে। ৬৮ বছর বয়সী এই ব্যবসায়ীর বর্তমানে সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...