The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

গর্ভবতী হলেই দম্পতি পাবেন দেড় লাখ টাকা!

প্রথমবারের মত জন্ম হারের চেয়ে মৃত্যু হার বেড়ে যাওয়ার কারণে দম্পতিদের সন্তান নিতে উৎসাহিত করতে আর্থিক প্রনোদনা চালুর ঘোষণা দিলো দক্ষিণ কোরিয়া

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সন্তান ধারণ করলেই অর্থ মিলবে এমন খবরে অনেকেই আশ্চর্য হতে পারেন। কিন্তু ঘটনাটি সত্যি।গর্ভবতী হলেই দম্পতি পাবেন দেড় লাখ টাকা! ঘোষণা দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।

গর্ভবতী হলেই দম্পতি পাবেন দেড় লাখ টাকা! 1

প্রথমবারের মত জন্ম হারের চেয়ে মৃত্যু হার বেড়ে যাওয়ার কারণে দম্পতিদের সন্তান নিতে উৎসাহিত করতে আর্থিক প্রনোদনা চালুর ঘোষণা দিলো দক্ষিণ কোরিয়া।

গত বছর দেশটিতে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৮০০ শিশুর জন্ম হয়, যা ২০১৯ সালের জন্মহারের তুলনাতে ১০ শতাংশ কম। তবে মারা গেছে প্রায় ৩ লাখ সাত হাজার ৬৪ জন মানুষ।

এই পরিসংখ্যান সামনে উঠে আসার পর দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জাতীয় নীতিতে মৌলিক পরিবর্তন আনার অনুরোধ করা হয়। জনসংখ্যার ক্রমান্বয়ে হ্রাস দেশটির ওপর ভয়াবহ চাপ সৃষ্টি করেছে। তরুণ জনসংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে দেশটিতে শ্রমিক সঙ্কট দেখা দিয়েছে যা প্রভাব ফেলেছে দেশটির অর্থনীতিতে।

গত মাসে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জা জন্মহার বাড়াতে এবং সব পরিবারকে সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করতে নতুন কিছু নীতিও প্রণয়ন করেছেন।

জানা গেছে, ওই স্কিমটির অধীনে, ২০২২ সাল হতে গর্ভাবস্থায় থাকা প্রতিটি শিশুকে প্রসবের আগের যাবতীয় খরচ হিসেবে ২০ লাখ কোরিয়ান নগদ অর্থ (উন) অর্থাৎ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা বোনাস দেওয়া হবে। শিশুর জন্মের পর এক মাস হওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ৩ লাখ উন মাসে দেওয়া হবে। দম্পতিদের উৎসাহিত করতে ২০২৫ সাল হতে প্রতি মাসে ওই অর্থের পরিমাণ বেড়ে হবে ৫ লাখ উন।

দক্ষিণ কোরিয়ায় নারীদের কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে জীবনের অন্যান্য চাহিদার সামঞ্জস্য রাখার কারণে নানা সমস্যার সম্মূখীন হতে হয়। যা এমনটি হওয়ার জন্যই দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে।

হুন য়্যু কীম দক্ষিণ কোরিয়ার জনৈকা নারী। তিনি চার ভাইবোনের মধ্যে সবার বড়। তিনি তার নিজের একটি বড় পরিবারের স্বপ্ন দেখলেও তার পরিবারের অসহযোগিতার কারণে সন্তান পরিকল্পনার বিষয়টি নিয়ে তাকে আবারও ভাবতে হচ্ছে।

তিনি সম্প্রতি নতুন একটি চাকরিতেও যোগদান করেছেন। তাই মাতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে তিনি বেশ চিন্তিত। তিনি বলেন যে, সবাই আমাকে বলছে আগে ক্যারিয়ার তৈরি করায় বেশি নিরাপদ।

আবাসিক জমির দাম বৃদ্ধি এই পরিস্থিতির পেছনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। হুন য়্যু কিম বলেন, জমির দাম দ্রুত গতিতে বেড়ে যাওয়ায় নব দম্পতিরা সন্তান নিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছেন। বেশি সন্তান নেওয়ার পর আপনার নিজের একটি বাড়ির প্রয়োজন হবে তবে কোরিয়ায় যা অসম্ভব বা স্বপ্ন মাত্র।

তিনি জানান, সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ কার্যকরী নয় বলেও জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এটি সন্তান লালন-পালনের প্রক্রিয়াকে আরও ব্যয়বহুল করে দেবে। সরকারের দম্পতিদের অতিরিক্ত অর্থ প্রদান এই সমস্যার একমাত্র সমাধান নয়। তথ্যসূত্র : বিবিসি

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...